
গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় এক আসামিকে আটকের পর বিপুল অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে কামরুল হাসান নামের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে তাকে প্রত্যাহার করে রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রতাবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া কৃষক লীগের এক ওয়ার্ড সভাপতি মতিন মিয়াকে আটক করেন এসআই কামরুল হাসান ও তার দল। অভিযোগ উঠেছে, আটকের পর মতিনের পরিবারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ছাড়া পাওয়ার পরদিন ২৩ জুন সকাল থেকেই ওই আসামি আত্মগোপনে চলে যান।
এই ঘটনার জেরে স্থানীয় নূর মোহাম্মদ নামের এক মুদি দোকানিকেও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। ওই দোকানি পুলিশের কাছে আসামির বাড়ি চিনিয়ে দেওয়ায় আসামির ভাই তার দোকানে এসে গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন বলে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সার্বিক বিষয়ে কোনাবাড়ী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবু নাসের মো. আল আমিন জানান, ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের কিছুটা সত্যতা পাওয়ায় এসআই কামরুল হাসানকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জিএমপি হেডকোয়ার্টারে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।