
মঙ্গলবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়, ট্রাম্প মনে করেন ইনফান্তিনো বিশ্বজুড়ে একজন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার বিশেষ সক্ষমতা রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৫৬ বছর বয়সী সুইজারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া ইনফান্তিনোর সঙ্গে চলতি বছরের বিশ্বকাপ চলাকালে ট্রাম্পের বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে সময় ইনফান্তিনো ট্রাম্পকে ফিফার উদ্বোধনী ‘পিস প্রাইজ’ প্রদান করেছিলেন। অনেকেই মনে করছেন, এই ঘনিষ্ঠতা এবং আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবেই জাতিসংঘের শীর্ষ পদে আসতে পারেন ফিফা সভাপতি।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষে আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন মহাসচিব পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
জাতিসংঘ সনদের ৯৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মূলত নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতেই সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিয়োগ দিয়ে থাকে। এই পদে নির্বাচিত হতে হলে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থন পেতে হয়। তবে স্থায়ী পাঁচ সদস্যের যেকোনো একটি দেশ ভেটো দিলে প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়।
নিউইয়র্ক পোস্ট তাদের প্রতিবেদনে আরও জানায়, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংঘাত মোকাবিলায় জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনামুখর। দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় ফিরে তিনি এরই মধ্যে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছেন। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ জাতিসংঘ-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা থেকেও যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেছেন তিনি।