
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকা সফরকালে আইএমএফ প্রতিনিধিদল অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে নবম পে-স্কেলের সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। সংস্থাটির মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বাজেট ঘাটতি বাড়তে পারে, মূল্যস্ফী
রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এক বৈঠকে সচিব কমিটির সুপারিশ, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো, সম্ভাব্য ব্যয় এবং বাস্তবায়নের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার
অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, নবম পে-স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে অথবা আগামী সপ্তাহের কোনো এক মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হতে পারে। সরকার একযোগে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকরের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে, যাতে সরকারি অর্থব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।
উল্লেখ্য, বর্তমান অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হয়েছিল ২০১৫ সালে। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে মূল বেতন কাঠামোয় বড় কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন পে-স্কেলের দাবি জানিয়ে আসছেন প্রায় ১৫ লাখ সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগী।