
ভারতীয় কম্প্যাক্ট এসইউভি বাজারে দশ বছর ধরে রাজত্ব করার পর নতুন রূপ নিয়ে হাজির হয়েছে
ডিজাইনের দিক থেকে সামনের গ্রিলে ক্রোম ফিনিশ এবং পুনর্গঠিত বাম্পারে ত্রিভুজাকার নতুন এলইডি ফগ ল্যাম্প হাউস যুক্ত করা হয়েছে। পাশে রয়েছে ১৬ ইঞ্চির নতুন ডুয়াল-টোন অ্যালয় হুইল। তবে গাড়ির পেছনের অংশে খুব একটা পরিবর্তন আনা হয়নি। গাড়ির ভেতরে ১০.১ ইঞ্চির নতুন টাচস্ক্রিন ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম, ফ্রন্ট ভেন্টিলেটেড সিট, ৬৪-কালার অ্যাম্বিয়েন্ট লাইটিং, এয়ার পিয়ুরিফায়ার এবং ওয়্যারলেস চার্জার যুক্ত করা হয়েছে। তবে প্যানোরামিক সানরুফ বা পাওয়ার ড্রাইভার সিটের মতো ফিচারগুলো এখনো অনুপস্থিত।
নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গাড়িটি দারুণ পারফর্ম করেছে এবং ভারত এনসিএপি ক্র্যাশ টেস্টে অর্জন করেছে পাঁচ তারকা রেটিং। এতে রয়েছে ছয়টি এয়ারব্যাগ, ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা, ব্ল্লাইন্ড স্পট ওয়ার্নিং এবং টায়ার প্রেশার মনিটরিং সিস্টেম। গাড়িটির ১০৯ বিএইচপি শক্তির টার্বো পেট্রোল ইঞ্জিন কম গতিতেও বেশ চমৎকার পারফর্ম করে এবং ম্যানুয়াল গিয়ারে প্রতি লিটারে প্রায় ২০ কিলোমিটার মাইলেজ দেয়।
সংক্ষেপে বলা যায়, পুরানো কেবিন ডিজাইন ও টার্বো ভার্সনে অটোমেটিক অপশন না থাকলেও, আকর্ষণীয় মূল্য, চমৎকার রাইড কোয়ালিটি এবং শক্তিশালী নিরাপত্তার কারণে ২০২৬ সালের কম্প্যাক্ট এসইউভি বাজারে মারুতি ব্রেজা একটি অত্যন্ত শক্ত প্রতিদ্বন্দী হিসেবেই থাকবে।