

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার পর দ্রুতই দলের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন সেন লামেন্স। ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটিতে খেলার বাড়তি মানসিক চাপ থাকলেও সেটি পুরোপুরি উপভোগ করছেন এই বেলজিয়ান গোলরক্ষক। তার মতে, বিশ্বমঞ্চে ইউনাইটেডের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে প্রতিনিধিত্ব করাই তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও উপভোগ্য বিষয়।
বেলজিয়ান সংবাদমাধ্যম হেট বেলাং ভান লিমবুর্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লামেন্স তার বর্তমান ফর্ম ও মানসিক অবস্থা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনি জানান, বিখ্যাত এই ক্লাবে আসার পর তার খেলার মৌলিক ধরন বদলায়নি, তবে বাইরের নানা সমালোচনা ও মতামতের সামনে মানসিকভাবে শক্ত থাকা এবং নিজের ওপর পূর্ণ আত্মবিশ্বাস বজায় রাখাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। সবার পক্ষে এই পরিস্থিতি সহজভাবে সামলানো সম্ভব হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইউনাইটেডে এসে আমার খেলার ধরন বদলায়নি। তবে মানুষের নানা মতামতের সামনে মানসিকভাবে শক্ত থাকতে হয়, আত্মবিশ্বাসও রাখতে হয়। সবার জন্য বিষয়টি সহজ নয়।
গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে প্রিমিয়ার লিগের ট্রান্সফার অব দ্য সিজন পুরস্কার জিতেছিলেন সেন লামেন্স। রয়্যাল অ্যান্টওয়ার্প থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ওল্ড ট্রাফোর্ডে পা রাখার পর প্রথম লিগ মৌসুমেই তিনি ৩২ ম্যাচ খেলেছিলেন, যার মধ্যে ৭৯টি সেভ করার পাশাপাশি আটটি ক্লিনশিট বজায় রেখেছিলেন। চলতি মৌসুমেও তিনি কোচ Erik ten Hag-এর আস্থার প্রতিদান দিয়ে দলের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবে নিজের স্থান পাকা রেখেছেন।
জাতীয় দলের জার্সিতেও নিজের অবস্থান পোক্ত করছেন এই তরুণ গোলরক্ষক। থিবো কোর্তোয়ার অনুপস্থিতিতে বেলজিয়ামের জাতীয় দলেও এখন নিজেকে এক নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন লামেন্স। প্রিমিয়ার লিগের কঠিন ম্যাচ এবং বেলজিয়ামের হয়ে নেশন্স লিগের লড়াইকে তিনি একই সমতলে রেখে এগিয়ে যেতে চান।
চলp>বর্তমান মৌসুমেও দলের রক্ষণভাগের অন্যতম বিশ্বস্ত ভরসা হয়ে আছেন ২৪ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। ভবিষ্যতের ম্যাচগুলোতে নিজের সেরাটা দেওয়ার পাশাপাশি দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ আছেন সেন লামেন্স।