

দেশের এভিয়েশন খাতের বড় ধরনের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের ঘোষণা দিয়ে বিমানমন্ত্রী জানিয়েছেন যে তিনি এই দেশে অন্তত দুইশটির বেশি বিমান দেখতে চান। গত কয়েক বছরে আকাশপথের যাত্রী বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচলের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে বিমান খাতের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি বর্তমানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বিমান পরিবহন শিল্পে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলো তাদের বহর ও রুট নেটওয়ার্ক বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে বিমানমন্ত্রীর এই মন্তব্য দেশের এভিয়েশন বাজারের প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
আমি চাই এই দেশে বিমান থাকবে ২০০টির বেশি, যা দেশের এভিয়েশন খাতকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিমান বহরের আকার দুইশটিতে উন্নীত করতে হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, দক্ষ জনবল তৈরি এবং আধুনিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর কারিগরি সক্ষমতা এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবার মান উন্নত না করলে এই বিশাল বহর পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালার কারণে বিদেশি বিনিয়োগ ও লিজের মাধ্যমে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার পথ সুগম হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রুটেও যাত্রীদের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। এই বর্ধित চাহিদা পূরণে বিমানবহরের পরিধি বাড়ানোর বিকল্প নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এভিয়েশন খাতের এই স্বপ্ন দ্রুতই বাস্তবায়িত হবে।