

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ হলো গণমাধ্যম এবং এই ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে মিডিয়ার ইতিবাচক ভূমিকা সবচেয়ে বেশি কার্যকর বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, মিডিয়া যদি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে, তবে তা জনগণের জন্য সবচেয়ে বেশি কল্যাণ বয়ে আনে।
গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতে পেশাদার সংগঠনগুলোর ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, সকল গণমাধ্যমকর্মী ও তাদের সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণে সোচ্চার হতে হবে। সাংবাদিকদের নিজেদের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ানোর ওপর তিনি জোর দেন।
গণমাধ্যমকর্মীদের অন্যায়ভাবে চাকুরিচ্যুতি বন্ধ, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং সাংবাদিকদের ওপর সকল প্রকার সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করতে পেশাদার সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমকে চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছাড়া একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বক্তব্যে সাংবাদিকদের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান। বিশেষ করে ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে তিনি বর্তমান সময়ের দাবি হিসেবে উল্লেখ করেন।
বর্তমানে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো চাকরির অনিশ্চয়তা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সহিংসতার শিকার হওয়া। এসব সমস্যা সমাধানে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।