

ক্যাম্প স্টুডিওস, পাফারফিশ এবং স্টুডিওবির মতো ক্রিয়েটর-প্রতিষ্ঠিত এজেন্সির শীর্ষ নির্বাহীরা জানিয়েছেন যে বছরের শুরু থেকেই তাদের কাছে ব্র্যান্ডগুলোর ইনবাউন্ড অনুসন্ধান এবং প্রস্তাব বা আরএফপি আমন্ত্রণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে বিপণন খাতের এই পরিবর্তন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।
এআই স্পন্সরড এজেন্ট কীভাবে কাজ করে এবং ব্র্যান্ডগুলো এতে কতটা নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিপণন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আলোচনা চলছে। প্রচলিত বিজ্ঞাপনের ধারা থেকে বেরিয়ে এআই চালিত এজেন্টরা সরাসরি গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করছে, যা ব্র্যান্ডগুলোর প্রচারণায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
অফিসিয়াল সূত্রে জানা গেছে, এআই স্পন্সরড এজেন্টের মাধ্যমে ব্র্যান্ডগুলো তাদের লক্ষ্য নির্ধারণে আরও বেশি সুনির্দিষ্ট হতে পারছে, তবে এর নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া নিয়ে এখনও নানা মতপার্থক্য রয়েছে।
এআই স্পন্সরড এজেন্টের যুগে ব্র্যান্ডগুলোর জন্য যেমন নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে, তেমনি কিছু ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের সীমাবদ্ধতাও দেখা দিচ্ছে। কোন তথ্যগুলো এআই এজেন্ট ব্যবহার করবে এবং কোন বিষয়গুলো ব্র্যান্ডের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তা নিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে হলে ব্র্যান্ডগুলোকে এই নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। ভবিষ্যতে এআই এজেন্টদের কার্যকারিতা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা।