

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা নির্ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাজুস এবং আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।
এর আগে গত ২৮ সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ টানা দুই দিন দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম বাড়ানো হলো।
নতুন দামের বিষয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের বা পিওর গোল্ডের মূল্য বাড়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভ্যাটসহ স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দর বহাল থাকবে।
বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে এখন থেকে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি বা ১১.৬৬৪ গ্রাম ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫০ হাজার ৫৮২ টাকায় বিক্রি করা হবে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন ভেদে মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট নির্ধারিত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
চলতি বছর জুড়েই দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ১২৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ৬২ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৬৫ দফা কমানো হয়েছে, পাশাপাশি ১ দফা ভ্যাট সমন্বয়ের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।