

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে লোডশেডিং কিছুটা কমানোর আশা প্রকাশ করেছে সরকার। রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানির উচ্চমূল্য ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ এবং সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণ করার বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।
বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। গত আট মাস ধরে সরকার সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করছে এবং দেশের মানুষকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬ এর আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনেও ইতোমধ্যে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়।
ফিউচার এনার্জি সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হলে আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়াতেই হবে। ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রসারে সরকার সব ধরনের নীতিগত সহায়তা প্রদান করছে।
আরও পড়ুন: তৃণমূলে উন্নয়ন ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু
সরকারের প্রত্যাশা, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার ও উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব হবে। আগামী গ্রীষ্মে যেন চলতি বছরের মতো বিদ্যুৎ সংকটে পড়তে না হয়, সে লক্ষ্যেই এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আয়োজিত এই এক্সপো এবং সেমিনারগুলোর মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ খাতে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।