|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

নবম পে-স্কেল: স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কি এই সুবিধা পাবেন?

0 শেয়ার
নবম পে-স্কেল: স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কি এই সুবিধা পাবেন?
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • আসছে জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন নবম পে-স্কেল।
  • তবে সরকারি কর্মচারীরা এই সুবিধা পেলেও স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও এমপিওভুক্ত কর্মীরা কবে নাগাদ এই সুবিধা পাবেন, তা নিয়ে রয়ে গেছে নানা অনিশ্চয়তা।
  • বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।

আগামী জুলাই মাস থেকেই দেশে নতুন পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে এটি নিয়ে বেশ আনন্দ ও উদ্দীপনা কাজ করছে। তবে মূল সরকারি দপ্তরের বাইরে থাকা একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর মনে এখন একটাই প্রশ্ন তারা কি এই সুবিধা সমানভাবে পাবেন? বিশেষ করে পেনশনভোগী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মীদের মনে এখনো এক ধরণের অনিশ্চয়তা কাজ করছে। তাদের জন্য কি আলাদা কোনো সিদ্ধান্ত আসবে, নাকি কিছুটা সময় লাগবে তা এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।

কলকাতায় সোনার দামে বড় পতন, আজ ১০ গ্রাম মূল্যবান ধাতুর দর কত

ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা

বাজেট পরবর্তী আলোচনা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভেতরের প্রস্তুতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নবম পে-স্কেল এখনো সবার জন্য একবারে নিশ্চিত কোনো সুবিধা হিসেবে আসেনি। এটি মূলত দেশের বর্তমান আর্থিক ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বিবেচনা করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপে সংশোধিত মূল বেতনের (বেসিক) ৫০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে। এর পরবর্তী ধাপে বাকি ৫০ শতাংশ এবং শেষের দিকে গিয়ে বিভিন্ন ভাতা সমন্বয় করা হবে। এর মানে দাঁড়ায়, ১ জুলাই থেকে ঘোষণা কার্যকর হলেও কর্মীরা একবারে পুরো সুবিধা হাতে পাবেন না। এমনকি বর্ধিত বেতনের টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে অক্টোবর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। তবে স্বস্তির খবর হলো, যারা বর্তমানে অবসরোত্তর ছুটিতে (এলপিআর) আছেন, তারাও এই নতুন পে-স্কেলের সুবিধার আওতায় পড়বেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বড় অনিশ্চয়তা

এই নতুন বেতন কাঠামোতে সবচেয়ে বড় ধোঁয়াশার জায়গায় আছেন স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর মধ্যে বিভিন্ন বোর্ড, করপোরেশন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশেষায়িত কর্তৃপক্ষ রয়েছে।

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর একেকটি একেক নিয়মে চলে। কেউ সরাসরি সরকারের পে-স্কেল হুবহু অনুসরণ করে, কেউ চলে নিজেদের সার্ভিস রুলস অনুযায়ী, আবার অনেকের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য নিজস্ব বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।

সরকারি ঘোষণায় এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্পষ্ট করে বাদ দেওয়া হয়নি, আবার নিশ্চিতভাবে যুক্তও করা হয়নি। ফলে এই মুহূর্তে স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য একমাত্র করণীয় হলো ‘অপেক্ষা’। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর সেখানে তাদের জন্য কী নির্দেশনা থাকে এবং পরবর্তীতে নিজ নিজ বোর্ড বা মন্ত্রণালয় কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার ওপরই নির্ভর করছে তাদের ভাগ্য।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

সংক্ষেপে বলতে গেলে, এবারের নবম পে-স্কেলের মূল ও সরাসরি সুবিধাভোগী হচ্ছেন নিয়মিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও একটা বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের একটি বড় অংশকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরো কিছুদিন চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকতে হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।