|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ইসলামি শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় আনতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

0 শেয়ার
ইসলামি শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় আনতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
  • ফাজিল-কামিল শিক্ষার্থীদের বিসিএস ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বাড়ানোর ঘোষণা।

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় উন্নয়ন, নৈতিকতা ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের মূলধারায় নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ইসলামি শিক্ষার মূল লক্ষ্য মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা। এই খাতকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে গবেষণা, দক্ষ শিক্ষক এবং যুগোপযোগী কারিকুলামের কোনো বিকল্প নেই।

ফ্যান্টাসি কিংডমে ১০ হাজার কৃতী শিক্ষার্থীর বিশাল মিলনমেলা

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে শুধু প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে আটকে রাখলে চলবে না। এই খাতকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যেন এখানকার শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও কার্যকর, গবেষণানির্ভর ও পরিকল্পিত ভূমিকা নিতে হবে। ফাজিল ও কামিল শিক্ষাকে মূলধারার উচ্চশিক্ষার সঙ্গে আরও শক্তভাবে যুক্ত করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

মাদ্রাসা খাতের নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না, বিশেষ করে ইসলামি শিক্ষায় দক্ষ শিক্ষক পাওয়া এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নতুন নিয়োগ পাওয়া কিছু শিক্ষকের বেতনসংক্রান্ত যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা সমাধানের চেষ্টা চলছে। ভবিষ্যতে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বেতন পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, শুধু সনদ অর্জনের জন্য নয়, জ্ঞান, গবেষণা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। ফাজিল ও কামিল স্তরের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা এবং বিসিএসসহ বিভিন্ন জাতীয় সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা সামনে আরও বাড়ানো হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।