|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

সাজেকে দুই পক্ষের গোলাগুলি, হাতে গুলিবিদ্ধ ৯ বছরের শিশু

0 শেয়ার
সাজেকে দুই পক্ষের গোলাগুলি, হাতে গুলিবিদ্ধ ৯ বছরের শিশু
সাজেকে দুই পক্ষের গোলাগুলি, হাতে গুলিবিদ্ধ ৯ বছরের শিশু
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • রাঙামাটির সাজেকে পাহাড়ি দুই দলের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।
  • গোলাগুলির সময় কস্মিতা ত্রিপুরা (৯) নামের এক শিশু হাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
  • আহত শিশুকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের নোয়াপাড়া ও হাজাছড়ার মাঝামাঝি এলাকায় পাহাড়িদের দুটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে সশস্ত্র গোলাগুলির ঘটনায় কস্মিতা ত্রিপুরা (৯) নামের এক শিশু হাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

ঢাবিতে হাদির নাম মুছে ফিরল শেখ মুজিবুর রহমান হল নামফলক

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি জনপদে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে সাজেকের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। আকস্মিক এই বন্দুকযুদ্ধের সময় ঘরবাড়ির আশপাশে থাকা সাধারণ মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়ে। গোলাগুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি শুরু করেন।

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এবং প্রসীত খিসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) কর্মীদের মধ্যে এই গোলাগুলি হয়েছে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে স্থানীয় উলেন্দ্র ত্রিপুরার ৯ বছর বয়সী মেয়ে কস্মিতা ত্রিপুরার হাতে গুলি লাগে। তাৎক্ষণিকভাবে গুলিবিদ্ধ শিশুটিকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

সংঘাতের নেপথ্য ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

এই সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনায় পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা দাবি করেছেন যে তাদের দল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী এবং সাজেকে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত নন। তার ভাষ্যমতে, জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা নোয়াপাড়া গ্রামে এসে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, জেএসএস রাঙামাটি জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক নগেন্দ্র চাকমা এই ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।

পাহাড়ে এ ধরনের সংঘাত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এ ধরনের সশস্ত্র তৎপরতা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চলছে এবং পাহাড়ে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।