|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, আলোচনার আহ্বান

0 শেয়ার
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, আলোচনার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, আলোচনার আহ্বান
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • প্রধানমন্ত্রীর পদে সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি।
  • স্বৈরতন্ত্র ঠেকাতে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
  • বিরোধী দলগুলোকে সংসদে এসে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার এখনো অনড় রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা জানান। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা রোধ করতেই মূলত এই প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মিরপুরে মামুন বাহিনী প্রধান বিএনপি নেতা মামুন বহিষ্কার

সংবিধান সংশোধনের অংশ হিসেবে এর আগে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সম্পাদক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করে বিশেষ কমিটি। বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংবিধানের প্রস্তাবনাসহ নানা বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব এসেছে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি কমিটি, যার ফলে বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও জানান যে, জুলাই জাতীয় সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ চালুর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক রয়েছে। তিনি বিরোধী দলগুলোকে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়ে বলেন,

বিজ্ঞাপন
Advertisement
ہمیں امید ہے کہ جمہوری প্রক্রিয়ার স্বার্থে বিরোধী দলগুলো তাদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে বিশেষ কমিটিতে যোগ দেবে এবং আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের হয়ে আসবে।

আরও পড়ুন: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা চেয়েছে সংবিধান সংশোধন কমিটি

সংবিধান সংশোধন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা

বিশেষ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনগুলোতে সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, বিচারক, শিক্ষাবিদ এবং জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করা হবে। এছাড়া ড. আলী রীয়াজের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গেও আলোচনা শেষ পর্যায়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে সংশোধিত সংবিধান চূড়ান্ত করা হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

বর্তমানে সরকারের এই অনড় অবস্থান রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে এই মেয়াদের বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও সরকার আলোচনার দরজা খোলা রেখেছে। সার্বিক এই সংস্কার কার্যক্রম সফল করতে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ এবং জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কমিটি।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।