
যাত্র শুরুর পর থেকে ১৪ বছরের পথচলায় দেশের পর্যটন খাতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান ছুটি। ২০১২ সালে একটি রিসোর্ট দিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও বর্তমানে গাজীপুর, পূর্বাচল, পুবাইল ও মৌলভীবাজারে একাধিক পর্যটন গন্তব্য পরিচালনা করছে এই প্রতিষ্ঠানটি। এখন পর্যন্ত প্রায় ২৩ লাখ পর্যটক এই সেবা গ্রহণ করেছেন এবং এর মাধ্যমে প্রায় ছয় শ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
সবুজ পরিবেশ ও পারিবারিক অবকাশযাপনের কথা মাথায় রেখে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ অর্জন করেছে আইএসও ৯০০০১:২০১৫ সনদ। পাশাপাশি, ২০২৫ সালের অনলাইন জরিপের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অর্জন করেছে ছুটি রিসোর্ট, যা তাদের সেবার মানকে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
"১৪ বছরের এই পথচলায় মানুষের বারবার ফিরে আসা আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। প্রকৃতির পরিবেশ অক্ষুণ্ন রেখে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে সম্পৃক্ত করে আমরা পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করতে চাই।" - সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
প্রতিষ্ঠার চৌদ্দ বছর পূর্তিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন নতুন পর্যটন গন্তব্য গড়ে তোলার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ছুটি। এর মধ্যে পুবাইলে ‘ছুটি সিগনেচার’, পূর্বাচলে ‘ছুটি হারমনি’, কক্সবাজারের ইনানীতে ‘ছুটি বিচ রিসোর্ট’, গোপালগঞ্জে ‘সালতানাত হাইওয়ে ভিলেজ’ এবং শ্রীমঙ্গলে ‘সালতানাত টি রিসোর্ট’ প্রকল্প উল্লেখযোগ্য। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পর্যটকদের জন্য এক হাজারের অধিক নতুন আবাসন কক্ষ তৈরি হবে।
পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমেই নতুন প্রকল্পগুলো পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া পর্যটন ও আবাসন খাতের এই সম্প্রসারণে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষকে ভ্রমণের আনন্দ দিতে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
মন্তব্য করুন
ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।