|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করে নীতিমালা জারি

0 শেয়ার
ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করে নীতিমালা জারি
ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করে নীতিমালা জারি
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে মদ, জুয়া ও নাইটক্লাবের বিল পরিশোধ করা যাবে না।
  • নীতিমালা লঙ্ঘন করলে ব্যাংক অবিলম্বে কার্ড বাতিল করবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাবে।
  • বিলম্বে পরিশোধের জরিমানা ব্যাংকের আয় হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

ঢাকা: শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল লেনদেন নিরাপদ করতে ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনার ফলে এখন থেকে ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে অ্যালকোহল, জুয়া, নাইটক্লাব, প্রচলিত বিমা কোম্পানি, অবৈধ ডেটিং বা ম্যাচমেকিং এবং শূকরের মাংস সংক্রান্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের লেনদেন বা বিল পরিশোধ করা যাবে না।

ঢাবিতে হাদির নাম মুছে ফিরল শেখ মুজিবুর রহমান হল নামফলক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ইসলামিক কার্ড দিয়ে শরিয়াহবহির্ভূত কোনো পণ্য বা সেবা কেনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ জন্য ব্যাংকগুলোকে সিস্টেম লেভেলে মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোড ব্লক করে রাখতে হবে। কোনো গ্রাহক যদি এই নিয়ম অমান্য করে বেআইনি লেনদেন করেন, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অবিলম্বে সেই কার্ড বাতিল করবে এবং বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করবে। এছাড়া কার্ড চালুর আগে ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ডভিত্তিক সম্মতি এবং টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কার্ড হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে ব্লকের অনুরোধ পাওয়ার সাত কার্যদিবসের মধ্যে অননুমোদিত লেনদেনের অর্থ গ্রাহককে ফেরত দিতে হবে।

শরিয়াহসম্মত লেনদেন ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহক অধিকার সুরক্ষায় এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডের মূল ভিত্তি হবে কর্জ হাসান বা সুদমুক্ত ঋণ এবং উজরহ বা সেবামূল্য। প্রচলিত ক্রেডিট কার্ডের মতো এটিকে গ্রাহকের ঋণের ওপর ভিত্তি করে ব্যাংকের আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মাশুল ও বিলম্ব জরিমানা নিয়ে কঠোর নির্দেশনা

নতুন নির্দেশনা অনুসারে, ব্যাংক শুধু কার্ড ইস্যু, নবায়ন, প্রতিস্থাপন, নেটওয়ার্ক সুবিধা এবং হিসাব রক্ষণাবেক্ষণের মতো নির্দিষ্ট সেবার জন্য নির্ধারিত উজরহ বা মাশুল নিতে পারবে। এই মাশুল কোনোভাবেই গ্রাহকের বকেয়া স্থিতি, ঋণের সীমা বা পরিশোধের বিলম্বের ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তন করা যাবে না। গ্রাহক সময়মতো বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যাংক কোনো বিলম্ব জরিমানা নিজের আয় হিসেবে নিতে পারবে না। তবে গ্রাহক চুক্তির সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দাতব্য সংস্থায় দান করার প্রতিশ্রুতি দেবেন এবং ওই অর্থ ব্যাংকের মূল আয়ের বাইরে একটি পৃথক দাতব্য হিসাবে জমা হবে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকের ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড কার্যক্রম চালু রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ফলে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় হবে এবং গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ বাংকে নিবন্ধিত যেকোনো ইসলামি ব্যাংক বা সাধারণ ব্যাংকের ইসলামিক উইন্ডো বা শাখা এই কার্ড ইস্যু করতে পারবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার কার্ডের ক্ষেত্রে ব্যাংকটিকে অবশ্যই অনুমোদিত ডিলার হতে হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।