|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

কুষ্টিয়ায় ৪০০ বোতল ফেনসিডিল গায়েব! এসআইয়ের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

0 শেয়ার
এসআই ফিরোজ। ছবি : সংগৃহীত
এসআই ফিরোজ। ছবি : সংগৃহীত
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল গায়েব এবং মাদক কারবারিদের ছেড়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে।
  • ঘটনাটি তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদক উদ্ধারের পর তা থানায় জমা না দিয়ে উল্টো ৪০০ বোতল ফেনসিডিল গায়েব করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে আটক মাদক কারবারিদের মারধরের পর গোপন রফাদফার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম এসআই ফিরোজ। তিনি দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের তেকালা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অবৈধ সম্পদ ও তথ্য গোপন: টেকনাফের সাবেক ইউপি সদস্য ও বাবার কারাদণ্ড

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১২টার দিকে আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ এলাকা থেকে কয়েকজন মাদক বহনকারী বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল নিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তারা গরুড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় পৌঁছালে এসআই ফিরোজের নেতৃত্বাধীন টহল দলের সামনে পড়ে যায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বহনকারীরা বস্তা ফেলে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করে বেধড়ক মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এরপর মামলা না দেওয়ার শর্তে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো, উদ্ধার হওয়া ৪০০ বোতল ফেনসিডিল দৌলতপুর থানায় জব্দ হিসেবে দেখানো হয়নি এবং এ ঘটনায় কোনো মামলাও দায়ের করা হয়নি।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধার হওয়া এসব মাদকের মূল মালিক ধর্মদহ এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর (৪৫)। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাদক বহনকারী জানান, আটকের পর পুলিশ সদস্যরা তাদের কাছ থেকে ফেনসিডিলগুলো নিয়ে নেয় এবং এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলে। এছাড়া এসআই ফিরোজের বিরুদ্ধে নিয়মিত অর্থের বিনিময়ে সীমান্ত এলাকায় মাদক পরিবহনে সহযোগিতার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন খুচরা মাদক ব্যবসায়ী।

তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন এসআই ফিরোজ। তিনি দাবি করেন, "ওই দিন আমি কোনো মাদক উদ্ধার করিনি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।"

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, ৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের কোনো তথ্য তার জানা নেই। তবে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Mohammad Sujan
Mohammad Sujanভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।