|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

জামালপুরে শিশু হত্যা: সহপাঠীর বাবার জবানবন্দিতে লোমহর্ষক তথ্য

0 শেয়ার
জামালপুরে শিশু হত্যা: সহপাঠীর বাবার জবানবন্দিতে লোমহর্ষক তথ্য
জামালপুরে শিশু হত্যা: সহপাঠীর বাবার জবানবন্দিতে লোমহর্ষক তথ্য
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • মাদারগঞ্জে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটে।
  • পুলিশ অভিযুক্ত জামিনুর ইসলাম ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে।
  • আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে লোমহর্ষক তথ্য বেরিয়ে আসে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিদ্যালয় থেকে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে অভিযুক্ত জামিনুর ইসলামের বসতঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করার পর পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত জামিনুর ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে বিশ্বের মডেল বললেন ইইউ রাষ্ট্রদূত

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত বৃহস্পতিবার সকালে সে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ হয়। বিদ্যালয় ছুটির পর বা বিদ্যালয় চলাকালীন সে সহপাঠীর বাড়িতে যায়। ঘটনার দিন অভিযুক্ত জামিনুরের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে তাঁর বোনের বাড়িতে রান্নারকাজে গিয়েছিলেন। বাড়িতে আর কেউ না থাকার সুযোগে এই পৈশাচিক ঘটনা ঘটানো হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গত রোববার রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। তিনি উল্লেখ করেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন। জামিনুরের মেয়ের সঙ্গে খেলাধুলা করার সুবাদে ওই শিশুটি প্রায়ই তাদের বাড়িতে যাতায়াত করত। সেই সুযোগেই শিশুটিকে ধর্ষণের পর ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং পরে ঘরের মেঝেতে গর্ত করে মরদেহ পুঁতে রাখা হয়।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

পরিবারের ক্ষোভ ও আইনি পদক্ষেপ

নিহত শিশুর এমন নির্মম মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির মামা গণমাধ্যমকে জানান, এত ছোট ও নিষ্পাপ একটি শিশুর ওপর এমন নিষ্ঠুরতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি অবিলম্বে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের বাবার দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে গত শনিবার রাতেই জামিনুর (৩২) ও তাঁর স্ত্রী সবুজা বেগমকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয় এবং রোববার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করা হবে। নারী ও শিশুদের ওপর এ ধরনের অপরাধ রোধে স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল করে এই মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।