|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদ্‌যাপন

0 শেয়ার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদ্‌যাপন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদ্‌যাপন
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে।
  • অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
  • সাংবিধানিক শাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিয়ে প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে আইন অনুষদ ও ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক শাসন, আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

টিসিবির কার্যক্রমে এআই নজরদারি ও ডিজিটাল কার্ডের বড় উদ্যোগ

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং গেস্ট অব অনার ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম। আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকরামুল হক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। উদ্বোধনী পর্বের পর দুই দেশের সাংবিধানিক অভিজ্ঞতার তুলনামূলক দিক নিয়ে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। বিভিন্ন সাংবিধানিক নীতি ও ধারণা পরবর্তী সময়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাংবিধানিক কাঠামো ও আইনিব্যবস্থাকেও প্রভাবিত করেছে। - মো. আসাদুজ্জামান, আইনমন্ত্রী

সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা

বিজ্ঞাপন
Advertisement

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সংবিধান ও সাংবিধানিক অধিকার সম্পর্কে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের একাডেমিক আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের বিচারিক পর্যালোচনা, ক্ষমতার পৃথককরণ এবং মৌলিক অধিকারের বিষয়গুলো নিয়ে তুলনামূলক আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় সংবিধান প্রণয়নের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ক্ষমতার পৃথককরণ ও পারস্পরিক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আইন অনুষদের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আইন ও বিচার অঙ্গনের বিশিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেন। প্যানেল আলোচনায় উভয় দেশের সাংবিধানিক কাঠামো এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বক্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময় দুই দেশের শিক্ষার্থীয় ও গবেষকদের আইনি জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।