|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

চুয়েটে ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দ্বিতীয় দিনেও সচল

0 শেয়ার
চুয়েটে ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দ্বিতীয় দিনেও সচল
চুয়েটে ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দ্বিতীয় দিনেও সচল
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • উপাচার্য পদে ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে আন্দোলন চলছে।
  • বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ রেখে সর্বাত্মক শাটডাউন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
  • দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দ্বিতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ রেখে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন তারা। পাশাপাশি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চলছে, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

জাতিসংঘে ড. খলিলের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং পরদিন কুয়েটের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতেই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় সর্বাত্মক শাটডাউন ও গণঅবস্থান কর্মসূচি।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত শাটডাউন ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে। যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহান হাসনাত আদিব বলেন, আমাদের দাবি না মানා পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবো। ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীরা ক্লাসে না আসায় কোনো একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

অধ্যাপক সায়েমের নিয়োগ ও বর্তমান পরিস্থিতি

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় তাকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ায় ক্যাম্পাসে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক সমিতিও উপাচার্য ভবনের সামনে মানববন্ধন করে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসের সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে স্থগিত রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের অনড় অবস্থানের কারণে অচলাবস্থা কাটেনি। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচি থেকে প্রাপ্ত স্বাক্ষর খুব দ্রুত যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত প্রধান ফটক বন্ধ রেখেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।