|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোটে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ, গঠিত হচ্ছে ওয়ার্কিং গ্রুপ

0 শেয়ার
বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোটে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ, গঠিত হচ্ছে ওয়ার্কিং গ্রুপ
বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোটে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ, গঠিত হচ্ছে ওয়ার্কিং গ্রুপ
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • আরসেপ জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত করতে বিশেষ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সুপারিশ অনুমোদিত হয়েছে।
  • ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত ৫ম আরসিইপি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
  • এই জোটে যুক্ত হলে দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ ও শুল্কমুক্ত সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য জোট রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসেপ) বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশসহ চার দেশ ও অঞ্চলের অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে একটি বিশেষ বা অ্যাডহক ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সুপারিশ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দিয়েছেন জোটের বাণিজ্যমন্ত্রীরা। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত ৫ম আরসিইপি মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকে এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গত ২১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীরা আরসেপ যৌথ কমিটির (আরজেসি) দেওয়া এ সুপারিশে আনুষ্ঠানিক সম্মতি জানান। বাংলাদেশের পাশাপাশি এ তালিকায় রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলি, দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা এবং হংকং (চীন)।

জাতিসংঘে ড. খলিলের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান

বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, আরসেপ চুক্তি একটি উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জোটের পরিধি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এবং নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির রোডম্যাপ অনুযায়ী বাংলাদেশসহ আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও কারিগরি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে এ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করবে। এর আগে থেকেই বাংলাদেশ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জোটের সঙ্গে যোগাযোগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই জোটে অন্তর্ভুক্তি দেশের সামগ্রিক বাণিজ্যের পরিধি বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

"আরসেপ চুক্তি একটি উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জোটের পরিধি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বাংলাদেশসহ আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও কারিগরি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।" - যৌথ বিবৃতি, ৫ম আরসিইপি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

অর্থনৈতিক প্রভাব ও এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ

বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, আসিয়ানভুক্ত ১০টি দেশ ছাড়াও চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো অর্থনৈতিক পরাশক্তিদের নিয়ে গঠিত এই মেগা বাণিজ্যিক জোটে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়া দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় মাইলফলক হতে পারে। বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা বজায় রাখা, বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ এবং দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণে এটি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্য উপমন্ত্রী দিয়াহ রোরো এস্তি উইদিয়া পুত্রি এবং নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্য কমিটির সদস্য ড. শেন রেটি এ যৌথ বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে নিবিড় সহযোগিতা ও গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমেই একটি কার্যকর ও ভবিষ্যৎমুখী আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে জোরালো মত প্রকাশ করা হয়। এসময় সদস্যপদ চেয়ে আবেদন করা দেশগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিদ্যমান অপ্রয়োজনীয় বাধা দূরীকরণ এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সংস্কার প্রক্রিয়ার ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

আরও পড়ুন: বিকাশ ও রবিসহ চার প্রতিষ্ঠান পেল ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।