|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ময়মনসিংহে রুবেল হত্যা: ৪ আসামি গ্রেপ্তার, ধর্ষণের প্রমাণ পায়নি পিবিআই

0 শেয়ার
ময়মনসিংহে রুবেল হত্যা মামলায় পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার চার আসামি।
ময়মনসিংহে রুবেল হত্যা মামলায় পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার চার আসামি।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ময়মনসিংহে আলোচিত রুবেল হত্যাকাণ্ডে জড়িত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।
  • তবে আসামিদের পক্ষ থেকে ধর্ষণের যে দাবি করা হয়েছিল, তদন্তে তার কোনো সত্যতা পায়নি পুলিশ।

ময়মনসিংহ নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনিতে আলোচিত রাজিব আহম্মদ রুবেল ওরফে ‘কাইল্ল্যা’ রুবেল হত্যার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে ধর্ষণের যে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, প্রাথমিক তদন্তে তার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

জাতিসংঘে ড. খলিলের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান

হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ঘটনা ও আসামিদের পরিচয়

পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া চার আসামি হলেন ,  রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) ও ইমরাজ (১৮)। তারা সবাই ওই বাড়ির মালিক পারুল বেগমের ছেলে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পিবিআই সদর দপ্তরের সহযোগিতায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

পূর্ববিরোধ ও বাসা ছাড়ার চাপ

গত ৫ জুলাই সকালে নগরীর আর কে মিশন রোডের ৩৬ বাড়ি কলোনির একটি ভাড়া বাসা থেকে রুবেলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে রুবেল ওই বাসায় ভাড়া উঠেছিলেন। এরপর থেকেই বাড়ির মালিকের পরিবারের সঙ্গে তার বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ দেখা দেয় এবং তাকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়া হচ্ছিল। ঘটনার দিন ভোরে রুবেলের সঙ্গে বাড়ির মালিক পারুল বেগমের বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। এর জেরে পারুল বেগমের ছেলেরা ক্ষুব্ধ হয়ে একটি চাইনিজ কুড়াল দিয়ে রুবেলকে কুপিয়ে হত্যা করে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

ধর্ষণের দাবির সত্যতা পায়নি পিবিআই

আসামিপক্ষের দাবি ছিল, ঘটনার দিন ভোরে রুবেল জোরপূর্বক পারুল বেগমকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন এবং এর জেরেই ছেলেরা ক্ষুব্ধ হয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। তবে পিবিআই ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তদন্তে এখন পর্যন্ত ধর্ষণের এই দাবির কোনো সত্যতা মেলেনি। ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পেলে বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ ও মামলা

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় বাড়ির মালিক পারুল বেগমসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহতের বোন রুনা আক্তারের দাবি, তার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে ওই বাড়ির লোকজনই গলা কেটে হত্যা করেছে এবং খুনিদের বাঁচাতেই ধর্ষণের এই মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। তিনি হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পিবিআইয়ের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Mohammad Sujan
Mohammad Sujanভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।