|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

৯ বছরেও শেষ হয়নি শিশু রাজন হত্যা মামলার চূড়ান্ত বিচার

0 শেয়ার
৯ বছরেও শেষ হয়নি শিশু রাজন হত্যা মামলার চূড়ান্ত বিচার
৯ বছরেও শেষ হয়নি শিশু রাজন হত্যা মামলার চূড়ান্ত বিচার
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ২০১৫ সালে সিলেটে শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বিচারিক ও হাইকোর্টে দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
  • হাইকোর্টের রায়ের পরও প্রায় ৯ বছর ধরে আপিল বিভাগে মামলাটি ঝুলে আছে।
  • ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত চূড়ান্ত রায় ও দণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

২০১৫ সালের ৮ জুলাই সিলেটে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনকে চুরির অপবাদ দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বিচারিক ও হাইকোর্ট পর্যায়ের রায় দ্রুত সম্পন্ন হলেও, দীর্ঘ ৯ বছরেও আপিল বিভাগে মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক কার্যক্রম মাত্র ১৭ কার্যদিবসে শেষ হলেও, সর্বোচ্চ আদালতে মামলাটি ঝুলে থাকায় দণ্ড কার্যকর প্রক্রিয়া থমকে আছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা চাইলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। দ্রুত তদন্ত শেষে বিচারিক আদালত চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট চার আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এরপর মামলাটি আপিল বিভাগে স্থানান্তরিত হয়, যেখানে দীর্ঘ সময় ধরে চূড়ান্ত শুনানি ঝুলে রয়েছে।

রাজনকে হারানোর কষ্ট কোনো দিন শেষ হবে না। এত বছর হয়ে গেলেও ভুলতে পারিনি। বিচার হয়েছে, কিন্তু মামলাটি এখনো শেষ হয়নি। যারা ছেলেকে মেরেছে তাদের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত হোক। - লুবনা আক্তার, রাজনের মা।

বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও বর্তমান অবস্থা

বিচারিক আদালতে ১৭ কার্যদিবসে রায় এবং হাইকোর্টে ১৯ কার্যদিবসে আপিল শুনানি শেষ হলেও আপিল বিভাগে মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হচ্ছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আপিল বিভাগের কার্যতালিকার চাপ ও আইনি জটিলতার কারণে অনেক চাঞ্চল্যকর মামলার চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। রাজনের বাবা শেখ মো. আজিজুর রহমান আলম আক্ষেপ করে জানান, তিনি নিয়মিত আদালতে খোঁজ নিলেও চূড়ান্ত কোনো উত্তর পাচ্ছেন না। তিনি দ্রুত দণ্ড কার্যকরের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

বর্তমানে মামলাটি আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। যদিও মামলার তদন্ত ও বিচারিক পর্যায়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অতীতে বিতর্ক উঠেছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তবে মূল আসামিদের ফৌজদারি দণ্ড এখন সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের ওপর নির্ভরশীল। ভুক্তভোগী পরিবার এখন কেবল আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।