বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই টানটান উত্তেজনা আর মাঠের ভেতরের ও বাইরের নানা নাটকীয় ইতিহাস। চলমান বিশ্বকাপে আবারও মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই পরাশক্তি। আর এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা দলে এসেছে একটি বড় পরিবর্তন, যা ফুটবলপ্রেমীদের ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ১৯৯৮ সালের সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিতে।
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা একাদশ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে আলবিসেলেস্তেরা। রদ্রিগো দে পলের জায়গায় আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন জিউলিয়ানো সিমিওনে। আর এই নামটির সঙ্গেই জড়িয়ে আছে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম চিরস্মরণীয় এক অধ্যায়।
জিউলিয়ানো সিমিওনে হলেন আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা ফুটবলার ও বর্তমান নামী কোচ দিয়েগো সিমিওনের ছেলে। সিমিওনে পরিবারের সঙ্গে ইংল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসের শত্রুতা ও রোমাঞ্চকর দ্বন্দ্বের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে এই দুই দলের ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়ের নেপথ্যে সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত নাম ছিল দিয়েগো সিমিওনে।
সেদিন ম্যাচের প্রথমার্ধ ২-২ সমতায় শেষ হওয়ার পর, দ্বিতীয়োর্ধের শুরুতে দিয়েগো সিমিওনেকে ফাউলের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে লাথি মেরে বসেন ইংলিশ ফুটবলের পোস্টার বয় ডেভিড বেকহ্যাম। রেফারি তৎক্ষণাৎ বেকহ্যামকে লাল কার্ড দেখান। ১০ জনের ইংল্যান্ডকে পেয়ে ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে যায় আর্জেন্টিনা এবং শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারানোর আগপর্যন্ত ওই ম্যাচ ও পেনাল্টি শুটআউটের অভিশাপ তাড়া করে বেড়িয়েছিল থ্রি লায়ন্সদের। ২৬ বছর পর আজ আবারও সেই সিমিওনে নামের এক উত্তরসূরিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছে ইংল্যান্ড।
মন্তব্য করুন