|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

বৃটেনের মার্কিন ঘাঁটিতে রহস্যজনক তৎপরতায় বিদেশি পক্ষ জড়িত

0 শেয়ার
বৃটেনের মার্কিন ঘাঁটিতে রহস্যজনক তৎপরতায় বিদেশি পক্ষ জড়িত
বৃটেনের মার্কিন ঘাঁটিতে রহস্যজনক তৎপরতায় বিদেশি পক্ষ জড়িত
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বৃটেনের মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছে সন্দেহজনক তৎপরতায় বিদেশি পক্ষ জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
  • এ ঘটনায় বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবাদসংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
  • মার্কিন প্রতিরক্ষামূলক হামলায় ব্যবহৃত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বৃটেনের পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিমানঘাঁটির কাছে সাম্প্রতিক সন্দেহজনক তৎপরতার ঘটনায় স্পষ্টতই কোনো বিদেশি পক্ষ জড়িত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিকে ঘিরে গত সপ্তাহান্তে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। ফক্স নিউজের হ্যানিটি অনুষ্ঠানে মার্কো রুবিও জানান, তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব না হলেও ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর।

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না, দ্রুত কমবে তেলের দাম: ট্রাম্প

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে, যখন গ্লস্টারশায়ার পুলিশ আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের দিকে এগিয়ে যাওয়া তিনটি সন্দেহজনক যানবাহন সম্পর্কে তথ্য পায়। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় এক কৃষক বিমানঘাঁটির কাছে হুডি ও মুখোশ পরা একটি বড় দল দেখতে পান। নিরাপত্তার স্বার্থে পার্শ্ববর্তী এলাকার ৮৫টি পরিবারকে সামقিকভাবে সরিয়ে নেওয়া হলেও সোমবার তাদের নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

বৃটেনে গত সপ্তাহান্তে যা ঘটেছে এবং যা ঘটতে পারত, সেটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এতে স্পষ্টতই কোনো বিদেশি পক্ষের হাত রয়েছে। - মার্কো রুবিও, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন
Advertisement

মার্কিন বিমানঘাঁটির নিরাপত্তা ও কৌশলগত গুরুত্ব

আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের মালিকানা বৃটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হলেও বৃটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চুক্তির আওতায় এর দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে মার্কিন বিমানবাহিনী। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রতিরক্ষামূলক হামলায় অংশ নেওয়া যুদ্ধবিমানগুলোর যাত্রাবিরতির ঘাঁটি হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন সন্দেহভাজনদের দীর্ঘদিন ধরে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল, যদিও বিবিসির অনুসন্ধানে জানা গেছে অভিযানটি সরাসরি গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর ছিল না।

এ ঘটনায় বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবাদসংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরবর্তীতে তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। বৃটিশ কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করেছে এবং বিষয়টি যথাযথভাবে মোকাবিলা করেছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটিশ কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।