
দেশীদশের শারদীয় আয়োজন শুরু হয়েছে দেশীয় ফ্যাশন, ঐতিহ্য ও কারুশিল্পকে এক ছাতার নিচে তুলে ধরার প্রত্যয়ে। ২০০৯ সালে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় তাঁতি, কারুশিল্পী ও ডিজাইনারদের সৃজনশীল কাজ ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় আসন্ন দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশীদশের প্রতিটি ব্র্যান্ড তাদের স্বকীয় ভাবনা ও নকশায় সাজিয়েছে বিশেষ সংগ্রহ।
পূজার এই আয়োজনে প্রাধান্য পেয়েছে বাংলার চিরচেনা রং, লোকজ ঐতিহ্য এবং দেশীয় কারুশিল্প। এর পাশাপাশি সমকালীন ফ্যাশনের নান্দনিক মেলবন্ধন ঘটিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্রতিটি পোশাক। ষষ্ঠী পূজা থেকে শুরু করে দশমীর বিজয়া পর্যন্ত উৎসবের প্রতিটি মুহূর্ত ও আয়োজনের উপযোগী বৈচিত্র্যময় পোশাক ঠাঁই পেয়েছে এই সংগ্রহে।
দেশীদশের সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশীয় সংস্কৃতির প্রসার এবং স্থানীয় কারুশিল্পীদের কাজের সঠিক মূল্যায়নই আমাদের মূল লক্ষ্য। শারদীয় উৎসবে ক্রেতাদের জন্য ঐতিহ্যবাহী পোশাকের পাশাপাশি আধুনিক ও আরামদায়ক কালেকশন নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবারের মতো এবারও দেশীদশের প্রতিটি ব্র্যান্ড তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের আলোকে শারদীয় পোশাকের ডিজাইন করেছে। তাঁতশিল্পের সমৃদ্ধ ইতিহাসকে আধুনিক প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে ঐতিহ্যবাহী মোটিফের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ট্রেন্ডের সমন্বয় করা হয়েছে। সুতি, হাফ সিল্ক ও মসলিনসহ বিভিন্ন আরামদায়ক কাপড়ের ওপর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নানা কারুকার্য।
উৎসবের দিনগুলোতে ক্রেতাদের চাহিদা বিবেচনা করে পোশাকে আনা হয়েছে রঙের বৈচিত্র্য। লাল, সাদা ছাড়াও পূজার মেজাজের সঙ্গে মানানসই নানা উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার করা হয়েছে। কারুশিল্পীদের নিপুণ হাতে তৈরি এসব পোশাক ফ্যাশনসচেতন ক্রেতাদের মন জয় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সার্বিক দিক বিবেচনায় দেশীদশের এই শারদীয় আয়োজন দেশের ফ্যাশন বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। স্থানীয় শিল্প ও শিল্পীদের পৃষ্ঠপোষকতায় এমন উদ্যোগ উৎসবের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। দেশীয় ঐতিহ্যকে ধারণ করে উৎসব উদযাপনে ক্রেতাদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।
মন্তব্য করুন
ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।