|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

মানবতাবিরোধী অপরাধ: কাদের-সাদ্দামসহ শীর্ষ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চাইল প্রসিকিউশন

0 শেয়ার
মানবতাবিরোধী অপরাধ: কাদের-সাদ্দামসহ শীর্ষ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চাইল প্রসিকিউশন
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদের ও সাদ্দাম হোসেনসহ সাত শীর্ষ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে যুক্তিতর্ক শেষ করেছে প্রসিকিউশন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: কাদের-সাদ্দামসহ শীর্ষ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চাইল প্রসিকিউশন

গর্ভবতী বিড়ালের মৃত্যু: ক্লিনিক মালিক ও দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নোটিশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাত শীর্ষ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে প্রসিকিউশন। বুধবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই শাস্তি দাবি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই মামলায় সাত আসামির বিরুদ্ধেই আনা চারটি অভিযোগ সফলভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। চব্বিশের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বহু মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা ও আহত করার পেছনে তাদের সরাসরি দায় রয়েছে। শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর আদালতকে বলেন, আসামিদের অপরাধ অত্যন্ত গুরুতর। তাদের কোনো অনুকম্পা না দিয়ে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে দেশে এ ধরনের রাজনীতিকের আর জন্ম না হয়।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

ষষ্ঠ দিনের মতো চলা যুক্তিতর্কে প্রথমে আইনি দিকগুলো তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এরপর চিফ প্রসিকিউটর তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ প্রদান, প্ররোচনা এবং উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে আন্দোলন প্রতিরোধের আহ্বান, সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা এবং দমনপীড়নে তাদের ভূমিকার প্রমাণ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে বেশ কয়েকটি ফোনালাপও দাখিল করা হয়। পাশাপাশি গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও কয়েকজন আসামির নেতিবাচক ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

ওবায়দুল কাদের ও সাদ্দাম হোসেন ছাড়াও এই মামলার ফাঁসির দাবি ওঠা অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। বর্তমানে এই সাত আসামিই পলাতক রয়েছেন। প্রসিকিউশনের যুক্তি উপস্থাপন শেষে পলাতক আসামিদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম তার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন।

উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট এই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল-২।

Mohammad Sujan
Mohammad Sujanভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।