
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহারের কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে এমন কোনো পরিস্থিতি বা শক্তিকে যুক্তরাষ্ট্র আর প্রশ্রয় দেবে না। বিশেষ করে ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে মাদক কার্টেল দমনে প্রয়োজনে সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প তার বক্তব্যে ভেনেজুয়েলার উদাহরণ টেনে বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র তার অপ্রতিদ্বন্দ্বী সামরিক সক্ষমতা প্রয়োগে দ্বিধা করবে না। তিনি মেক্সিকোর মাদক কার্টেলগুলোকে 'পশ্চিমের আইএসআইএস' হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ২ হাজার মাইল দীর্ঘ সীমান্তে শত্রুভাবাপন্ন কার্টেলগুলোর নিয়ন্ত্রণ থাকা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অগ্রহণযোগ্য। এছাড়া কিউবার বর্তমান সরকারের পতন ঘটবে বলে মন্তব্য করে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আমরা আমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী সামরিক শক্তি ব্যবহার করব। আমাদের সবার জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে আমরা বিশ্বজুড়ে মার্কিন শক্তি পুনরায় সুপ্রতিষ্ঠিত করছি।
বর্তমানে কিউবা ও মেক্সিকোসহ বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে। ট্রাম্পের ভাষণের সময় কিউবার প্রতিনিধিদলের সভাকক্ষ ত্যাগ করার ঘটনাটি কূটনৈতিক উত্তেজনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন এখন তাদের এই কৌশলগত পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন
ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।