|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

কুবি শিক্ষকের ছেলের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১

0 শেয়ার
কুবি শিক্ষকের ছেলের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১
কুবি শিক্ষকের ছেলের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ উদ্ধার।
  • ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামের একজন আটক।
  • নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর জঙ্গল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গত শুক্রবার বিকেল থেকে ওই কিশোর নিখোঁজ ছিল।

আখাউড়া সীমান্তে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। দীর্ঘ প্রায় একুশ ঘণ্টা তল্লাশির পর জঙ্গল থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করে কোটবাড়ি থানার ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভুঁইয়া জানান, তদন্তের স্বার্থে তুহিন নামের একজনকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতিমের সাথে তাকে দেখা যাওয়ার সূত্র ধরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে সন্দেহভাজন হিসেবে তুহিন নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

ঘটনার নেপথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি তোলার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিল ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরবর্তী সময়ে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ঘর থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতিমের সাথে তুহিন নামের এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। এই সূত্র ধরেই পুলিশ ওই ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

বর্তমানে পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসলে মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ জানিয়েছে, এই মর্মান্তিক ঘটনার সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।