|
ঢাকা স্টোরি
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

কক্সবাজারে লাইসেন্সহীন ৫ শতাধিক হোটেল, শিগগিরই ভ্রাম্যমাণ আদালত

0 শেয়ার
কক্সবাজারে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা হোটেল ও রিসোর্ট এলাকা।
কক্সবাজারে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা হোটেল ও রিসোর্ট এলাকা।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • কক্সবাজারে লাইসেন্স ও অগ্নিনিরাপত্তা ছাড়াই চলছে পাঁচ শতাধিক হোটেল ও রিসোর্ট।
  • পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও মামলা করা হয়েছে।
  • অবৈধ এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু হবে।

পর্যটন নগরী কক্সবাজারে কোনো ধরনের লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁ। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ স্থাপনার দৌরাত্ম্য কমাতে আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে। শহর থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত মেরিন ড্রাইভ সড়ক এবং এর আশপাশের এলাকায় গড়ে ওঠা এসব অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান নিয়ে পর্যটক মহলে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।

নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আইনমন্ত্রীর শুভকামনা

কক্সবাজার শহর থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পর্যটকদের আবাসন ও বিনোদনের জন্য প্রায় এক হাজার ছোট-বড় হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। এর মধ্যে পাটুয়ারটেক, ইনানী ও হিমছড়ি এলাকায় কাঠ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি অনেক রিসোর্ট ও কটেজ গড়ে উঠেছে। ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স, পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) অনুমোদন ছাড়াই এসব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র না থাকায় গত এক বছরে ৫৮টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় দেড় কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মাত্র ৫০টি হোটেল তাদের ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করেছে। ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ জানান, দুর্ঘটনা ঘটার আগে বারবার নোটিশ দেওয়া হলেও অনেক কর্তৃপক্ষ সতর্ক হয় না। তিনি বলেন,

আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও সচেতন হতে হবে। তা না হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা কঠিন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরিবেশ ও নিরাপত্তা সংকট

শুধু অগ্নিনিরাপত্তা নয়, অনেক হোটেল ও রেস্তোরাঁয় যথাযথ পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থারও ঘাটতি রয়েছে। পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকায় অবস্থিত শতাধিক হোটেলের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ২৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, নিয়মিত তদারকি না থাকায় অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলো বছরের পর বছর ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর, পর্যটন করপোরেশন, কউক ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুমোদনহীন হোটেলগুলোর কর্তৃপক্ষকে বৈধতা অর্জনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।