|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

এআই দিয়ে ছবি তৈরি কি শিল্প নাকি নকলবাজি

0 শেয়ার
জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বিভিন্ন ডিজিটাল চিত্রকর্ম ও ছবি।
জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বিভিন্ন ডিজিটাল চিত্রকর্ম ও ছবি।
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে বিনামূল্যে পণ্যের আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন তৈরি করছেন ছোট ব্যবসায়ীরা।
  • আসল শিল্পীর শৈলী নকল করার কারণে বিশ্বজুড়ে কপিরাইট লঙ্ঘনের গুরুতর সমস্যা তৈরি হয়েছে।
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিল্পীদের প্রতিস্থাপন না করে একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে।

জেনারেটিভ এআই বা তৈরিমূলক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্তমানে খুব সহজেই ছবি, ভিডিও এবং গান তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। আগে যেখানে পেশাদার শিল্পী বা ব্যয়বহুল সফটওয়্যারের প্রয়োজন হতো, সেখানে সামান্য নির্দেশনার মাধ্যমেই এখন আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করা যাচ্ছে। এই প্রযুক্তির সহজলভ্যতা যেমন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের খরচ কমিয়ে দিয়েছে, তেমনি অন্যদিকে কপিরাইট ও শিল্পীদের অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

মোবাইল ব্যালান্স বাড়ানো হচ্ছে ৫০০ টাকা পর্যন্ত, ফি দিতে হবে ১০ টাকা

ছোট দোকানের মালিক রোহান অতিরিক্ত খরচ বাঁচিয়ে ঈদের বিজ্ঞাপনের জন্য জেনারেটিভ এআই টুল ব্যবহার করে পণ্যের দৃষ্টিনন্দন ছবি তৈরি করেন। এর ফলে তাঁর ব্যবসায় বিক্রি এক সপ্তাহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এই প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন অর্থনৈতিক সাশ্রয় হচ্ছে, অন্যদিকে পেশাদার ফটোগ্রাফার ও শিল্পীদের কাজের সুযোগ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকেই এখন আসল শিল্পীদের নিজস্ব শৈলী হুবহু নকল করে নিজেদের নামে চালিয়ে দিচ্ছেন। এর ফলে বিশ্বজুড়ে শিল্পী সমাজের মধ্যে কপিরাইট লঙ্ঘনের গুরুতর সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং বিভিন্ন দেশে এ বিষয়ে আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। শিল্পীদের মেধা ও স্বত্ব সুরক্ষার বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় একটি আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

শিল্পীদের ভবিষ্যৎ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই অগ্রযাত্রার ফলে শিল্পীদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। তবে বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের সৃজনশীলতাকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করতে পারে না। এটি মূলত একটি উন্নত হাতিয়ার মাত্র, যা সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কাজের গতি বাড়াতে পারে কিন্তু মানুষের শৈল্পিক অনুভূতির বিকল্প হতে পারে না।

বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে নৈতিক নীতিমালা প্রণয়নের ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং শিল্পীদের কপিরাইট সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমেই এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।