|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

সরকারি চাকরিতে ৫.২ লাখ শূন্য পদ পূরণের উদ্যোগ: নিয়োগে আসছে বড় পরিবর্তন

0 শেয়ার
সরকারি চাকরিতে ৫.২ লাখ শূন্য পদ পূরণের উদ্যোগ: নিয়োগে আসছে বড় পরিবর্তন
সরকারি চাকরিতে ৫.২ লাখ শূন্য পদ পূরণের উদ্যোগ: নিয়োগে আসছে বড় পরিবর্তন
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে থাকা ৫.২ লাখ শূন্য পদ পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে পরীক্ষা পদ্ধতি ও নম্বর বণ্টনে পরিবর্তনের পরিকল্পনা চলছে।
  • পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তিন থেকে চার বছর সময় লাগতে পারে।

দেশের সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকা ৫.২ লাখ শূন্য পদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগ যৌথভাবে প্রতিটি দপ্তরের শূন্য পদের তালিকা, অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম এবং চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বচ্ছ ও ন্যায়ভিত্তিক প্রক্রিয়ায় এই বিশাল সংখ্যক জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আগামী পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস: লঘুচাপের প্রভাবে ভিজবে দেশ

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত পদের সংখ্যা প্রায় ১৯ লাখ ৮৬ হাজার। এর মধ্যে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি পদ বর্তমানে খালি রয়েছে। সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ রয়েছে ২০তম গ্রেডে ৮২ হাজার ২১৬টি এবং ১৬তম গ্রেডে ৭৯ হাজার ৮৬৮টি। এই শূন্যতা পূরণের মাধ্যমে সরকারি দপ্তরের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে আমরা বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতি ও নম্বর বণ্টনের কাঠামো পুনর্মূল্যায়ন করছি।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন

নিয়োগ পরীক্ষা আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করতে সরকার ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের সরাসরি নিয়োগে নম্বর বণ্টন পদ্ধতি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর করে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে মুখস্থনির্ভরতার পরিবর্তে প্রার্থীর বাস্তব দক্ষতা যাচাই করা সম্ভব হয়। এছাড়া নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর প্রশাসনিক চাপ কমাতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময় ও আর্থিক সংস্থানের প্রয়োজন। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ফাহমিদা খাতুন জানান, সরকারি দপ্তরের জনবল সংকট নিরসনে এই নিয়োগ জরুরি। তবে আর্থিক চাপ কমাতে ধাপে ধাপে নিয়োগ সম্পন্ন করা এবং প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা প্রয়োজন যাতে প্রশ্নফাঁস বা অনিয়মের কোনো সুযোগ না থাকে।

বর্তমানে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা চূড়ান্ত করতে দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়। সরকার এখন প্রতিটি নিয়োগ কার্যক্রমের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা করছে। তবে বিপুল সংখ্যক নিয়োগের এই প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি সম্পন্ন হতে তিন থেকে চার বছর সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।