|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের হারানো ক্ষমতা ফেরাতে ৮৭০ কোটির প্রকল্প

0 শেয়ার
কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের হারানো ক্ষমতা ফেরাতে ৮৭০ কোটির প্রকল্প
কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের হারানো ক্ষমতা ফেরাতে ৮৭০ কোটির প্রকল্প
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ৮৭০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
  • জাইকার ঋণ সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
  • পুরোনো দুই ইউনিটের কারিগরি ত্রুটি দূর করে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটের হারানো ২০ থেকে ৩০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে ৮৬৯ দশমিক ৯৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। জাপান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (জাইকা) থেকে বৈদেশিক ঋণ নিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

বনানীতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় সিয়েরা লিওনের নাগরিকসহ নিহত ২

১৯৮৮ সালে স্থাপিত কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতিটি ইউনিটের মূল সক্ষমতা ৫০ মেগাওয়াট হলেও কাঠামোগত ক্ষতি ও সেকেলে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কারণে বর্তমানে তা কমে ৩৫ থেকে ৪০ মেগাওয়াটে নেমেছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পে ৬৫৬ দশমিক ৯৮ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ, ২০০ দশমিক ৫৮ কোটি টাকা সরকারি তহবিল এবং ১২ দশমিক ৪০ কোটি টাকা বিপিডিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের পুরোনো দুই ইউনিটে গুরুতর কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে, যা সময়মতো সংস্কার না করলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

কারিগরি সমস্যা ও সংস্কার পরিকল্পনা

প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর ধরে সচল থাকা ইউনিট দুটিতে ফাটল ধরা এবং রোটর রিম সাপোর্টিং লেজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিয়েছে। বারবার ওয়েল্ডিং করার ফলে কাঠামোগুলো আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। প্রস্তাবিত সংস্কারকাজের মাধ্যমে স্টেটর কয়েল, রোটর পোল, টারবাইনের রানার এবং গভর্নর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হবে। এর ফলে ইউনিট দুটির পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, জাইকার ঋণের সুদের হার এবং আনুষঙ্গিক শর্তগুলো নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। তবে সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই অর্থায়ন এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে।

বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর সংস্কার অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন বিপিডিবির বিশেষজ্ঞরা। সময়মতো এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জাতীয় গ্রিডে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ সংরক্ষণ করা আরও সহজ হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।