|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

মুক্তাগাছায় ওসির কক্ষে ঢোকাকে কেন্দ্র করে থানায় হামলা ও ভাঙচুর

0 শেয়ার
মুক্তাগাছায় ওসির কক্ষে ঢোকাকে কেন্দ্র করে থানায় হামলা ও ভাঙচুর
মুক্তাগাছায় ওসির কক্ষে ঢোকাকে কেন্দ্র করে থানায় হামলা ও ভাঙচুর
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • মুক্তাগাছায় ওসির কক্ষে প্রবেশ নিয়ে বিএনপি নেতার সঙ্গে পুলিশের বাগবিতণ্ডা হয়েছে।
  • এর জেরে থানা ও পাশের ট্রাফিক বক্সে ভাঙচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধরা।
  • পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ওসির কক্ষে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বাগবিতণ্ডার জেরে থানা ও ট্রাফিক বক্সে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাতে মুক্তাগাছা থানায় এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযুক্ত আরিফ রব্বানী মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

আগামী পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস: লঘুচাপের প্রভাবে ভিজবে দেশ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে আরিফ রব্বানী থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে প্রবেশ করতে চান। এ সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য তাকে জানান যে ওসি ও অন্য কর্মকর্তারা জরুরি মিটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন, তাই তাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। এই কথা শোনার পরই ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে বিএনপি নেতা উচ্চবাচ্য শুরু করেন। খবর পেয়ে ওসি ও অন্য কর্মকর্তারা কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করলে উভয়ের মধ্যে তীব্র কথাকাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের হস্তক্ষেপে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

তবে পরিস্থিতি চূড়ান্তভাবে শান্ত হয়নি। রাত ১০টার দিকে আরিফ রব্বানী দলবল নিয়ে পুনরায় থানার দিকে আসেন এবং প্রধান ফটক ও পাশের ট্রাফিক বক্সে ভাঙচুর চালান। মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, রাতের দিকে লাঠি ও দেশি অস্ত্র নিয়ে কিছু লোক থানার সামনে এসে ভাঙচুর চালায়। ট্রাফিক বক্সের জানালার কাচ ও রড ভেঙে ফেলা হয়। তবে স্থানীয় কিছু বিএনপি ও যুবদল নেতার সহায়তায় এবং পুলিশের তৎপরতায় হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ

এই অপ্রত্যাশিত সহিংস ঘটনার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছেন এবং খোঁজখবর নিচ্ছেন। অন্যদিকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোণ্ড রুকুনোজ্জামান রোকন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে থানায় হামলার কোনো সুযোগ নেই এবং যদি এমন কিছু সত্যিই ঘটে থাকে তবে সাংগঠনিকভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন যে পুরো বিষয়টি বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং খুব দ্রুতই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।