|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান

0 শেয়ার
এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান
এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে এমপি ও মন্ত্রীদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর তীব্র বিরোধিতা করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
  • তিনি জানান, সংসদ সদস্যরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে এসেছেন, নিজেদের কপাল গড়তে নয়।
  • সরকারি প্লট ও শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা না নেওয়ার পূর্বের ঘোষণা তারা বাস্তবায়ন করেছেন।

দেশের মানুষ যখন নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে, তখন প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার কঠোর বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিট সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তিনি এই স্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি সরকারের প্রতি এ ধরনের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

বিকাশ ও রবিসহ চার প্রতিষ্ঠান পেল ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন

বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা যে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, সে বিষয়টি তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, গোটা সমাজ আজ একটি সংকটের মধ্যে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় জনপ্রতিনিধিদের নিজেদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না। তিনি স্পষ্ট করেন যে, দেশের ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন না হওয়া পর্যন্ত তারা এ ধরনের কোনো সুযোগ-সুবিধার অংশীদার হতে চান না। অতীতেও জামায়াতে ইসলামী সরকারি প্লট ও শুল্কমুক্ত গাড়ি নেওয়ার সুবিধা বর্জন করার ঘোষণা দিয়েছিল এবং সংসদেও সেটি কার্যকর হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের শিল্প ও বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, উৎপাদন কমে গেলে শিল্পমালিকেরা সংকটে পড়বেন এবং শ্রমিক ছাঁটাই হতে পারে। এতে শুধু শ্রমিক নন, তাদের পুরো পরিবার অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়বে।

সংসদ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য

সংসদকে জনগণের প্রত্যাশার প্রকৃত কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শফিকুর রহমান বলেন, তারা শাসক হতে নয়, বরং জনগণের সেবক হতে সংসদে গেছেন। জ্বালানি, সার, বিদ্যুৎ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বারবার নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে তা আলোচনায় আনা হয় না বলে তিনি অভিযোগ করেন। তবে অতীতে তেলের সংকট নিয়ে বিরোধী দলের নোটিশের পর যৌথ কমিটি গঠনের মাধ্যমে ইতিবাচক ফল পাওয়ার কথা তিনি স্মরণ করেন। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক জামায়াতের লংমার্চ ও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো মহল আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার দায় তাদের ওপরই বর্তাবে বলে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, গণমাধ্যম সঠিক থাকলে রাষ্ট্রের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিও শক্তিশালী থাকে। তবে অনেক সময় বক্তব্যের অংশবিশেষ কেটে বা ফটোকার্ডের মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার রক্ষা এবং তাদের সমস্যাগুলো লিখিতভাবে পেলে সংসদ ও সংসদের বাইরে তা নিয়ে কাজ করার আশ্বাসও দেন তিনি। মতবিনিময় সভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।