আজকাল কাঁধে ব্যথা অত্যন্ত পরিচিত একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে কাজ করা, মানসিক চাপ, ভারী জিনিস তোলা কিংবা পেশি ও লিগামেন্টে টান পড়ার কারণে এই ব্যথা হতে পারে। বারবার এই সমস্যা ফিরে এলে অস্বস্তি কমাতে চিকিৎসকের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া প্রতিকারও অনুসরণ করা যেতে পারে। চলুন জেনে নিই এমন ৫টি কার্যকরী উপায়:
ঠান্ডা সেঁক: ঠান্ডা সেঁক আক্রান্ত স্থানকে অবশ করে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। একটি পরিষ্কার প্লাস্টিকের ব্যাগে বরফের টুকরো নিয়ে তোয়ালে দিয়ে মুড়ে কাঁধে ১০-১৫ মিনিট সেঁক দিতে পারেন। প্রয়োজনে দিনে কয়েকবার এটি করা যেতে পারে।
এপসম লবণ: কাঁধের ব্যথা উপশমে এপসম লবণ বেশ কার্যকরী। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে ব্যথা কমায়। গোসলের হালকা গরম পানিতে দুই টেবিল চামচ এপসম লবণ মিশিয়ে সেই পানিতে কাঁধ পর্যন্ত ২০-২৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখলে বা গোসল করলে আরাম পাওয়া যায়।
হলুদ: হলুদে থাকা কারকিউমিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহ-বিরোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে। ২ টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে সমপরিমাণ নারকেল তেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্যথার স্থানে লাগান। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলের জন্য দিনে দুবার এটি ব্যবহার করতে পারেন।
অলিভ অয়েল: এই তেল রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে পেশির জড়তা ও ফোলাভাব কমায়। সামান্য অলিভ অয়েল হালকা গরম করে কাঁধে ভালোভাবে মালিশ করলে পেশির টানটান ভাব কমে এবং ব্যথা দ্রুত উপশম হয়।
অ্যাপেল সিডার ভিনেগার: এর প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য ফোলাভাব ও ব্যথা কমাতে দারুণ সাহায্য করে। গোসলের গরম পানিতে ২ কাপ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে তাতে ২০-৩০ মিনিট শরীর বা কাঁধ ডুবিয়ে রাখলে কাঁধসহ শরীরের অন্যান্য অংশের ব্যথাও কমে যায়।
মন্তব্য করুন