|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ৫ দাবি, তথ্যপ্রমাণ বলছে ভিন্ন কথা

0 শেয়ার
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ৫ দাবি, তথ্যপ্রমাণ বলছে ভিন্ন কথা
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ৫ দাবি, তথ্যপ্রমাণ বলছে ভিন্ন কথা
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা ও পশ্চিমতীর নিয়ে পাঁচটি প্রধান দাবি করেছিলেন।
  • আন্তর্জাতিক সংস্থা ও তদন্ত কমিশনের তথ্যপ্রমাণে তার এই দাবিগুলোর সঙ্গে বাস্তবতার বড় ফারাক পাওয়া গেছে।
  • গাজার মানবিক সংকট এবং বেসামরিক হতাহতের পরিসংখ্যান নিয়ে ইসরাইলি প্রমাণের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন বিশ্বমানের মাধ্যম।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মঞ্চে দেওয়া ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিভিন্ন দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু। আন্তর্জাতিক সংস্থা, মানবিক সহায়তা সংস্থা এবং ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর নিজস্ব তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে দেখা গেছে, গাজা ও অধিকৃত পশ্চিমতীরে ইসরাইলের কর্মকাণ্ড নিয়ে নেতানিয়াহুর দেওয়া পাঁচটি দাবির সঙ্গে নথিভুক্ত প্রমাণের উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।

সাত দিনে হরমুজ প্রণালি খোলার প্রস্তাব ইরানের, যা বলছে যুক্তরাষ্ট্র

২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ভাষণে নেতানিয়াহু গাজায় গণহত্যার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন এবং বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা অত্যন্ত কম বলে দাবি করেন। এছাড়া গাজার মানবিক সহায়তা সংকটের জন্য হামাসকে দায়ী করা এবং পশ্চিমতীরে দখলদারদের সহিংসতাকে খাটো করে দেখানোর মতো বিষয়গুলো তার বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে। তবে স্বাধীন তদন্ত ও তথ্য-উপাত্ত বলছে অন্য কথা।

"বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা কমানোর জন্য ইসরাইল যা করছে, বিশ্বের আর কোনো সেনাবাহিনী তা করেনি। তবে আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে।"

নেতানিয়াহুর ৫ দাবি বনাম বাস্তব চিত্র

নেতানিয়াহুর দাবি ছিল গাজায় গণহত্যা চালানো হয়নি এবং বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষায় যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অথচ জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ও বাহিনীর কর্মকাণ্ডে গণহত্যার প্রমাণের যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে। পাশাপাশি, ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর গোপন তথ্যভান্ডার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গাজায় নিহতদের প্রায় ৮৩ শতাংশই বেসামরিক নাগরিক, যা নেতানিয়াহুর ‘স্বল্প হতাহত’ দাবির পরিপন্থী।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

অন্যদিকে, গাজায় মানবিক সহায়তা চুরির জন্য হামাসকে দায়ী করলেও মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি) এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পায়নি। এমনকি ২০ লাখ টন খাদ্য প্রবেশের দাবি করা হলেও জাতিসংঘের নথিতে দেখা গেছে, সামরিক অভিযান ও বিধিনিষেধের কারণে নিয়মিত ত্রাণ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পশ্চিমতীরের সহিংসতাকে সামান্য কিছু কিশোরের অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করলেও জাতিসংঘের তথ্য বলছে, সেখানে প্রতিদিন গড়ে ছয়টিরও বেশি হামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) দক্ষিণ আফ্রিকার করা গণহত্যা মামলাটি এখনো বিচারাধীন রয়েছে। যদিও আদালত ইসরাইলকে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে, তবুও গাজা ও পশ্চিমতীরে চলমান উত্তেজনার স্থায়ী সমাধান এবং ত্রাণ বিতরণে বাধা দূর করার বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপ অব্যাহত রয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।