অনেকেই সচেতনভাবে খাদ্যতালিকা থেকে আলু বাদ দিয়ে থাকেন। তাদের ধারণা, আলু খেলে ওজন বেড়ে যাবে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাবে। তবে ভারতের সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলু নিজেই ক্ষতিকর নয়, বরং অতিরিক্ত তেল-মশলা, ভাজাপোড়া এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসই সমস্যার মূল কারণ। বিশেষজ্ঞরা তাই আলু পুরোপুরি বাদ না দিয়ে সঠিক উপায়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
চিকিৎসকদের মতে, আলু কার্বোহাইড্রেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এতে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, পটাশিয়াম এবং ফাইবার। পরিমিত পরিমাণে ও সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করা আলু শরীরের শক্তির জোগান দিতে সক্ষম।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, আলু খাওয়ার ক্ষেত্রে নিচের নিয়মগুলো মেনে চললে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমে:
রান্নার পদ্ধতি: আলু ভাজাপোড়া (চিপস বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই) এড়িয়ে চলুন। এর পরিবর্তে আলু সেদ্ধ বা অল্প তেলে ভাপিয়ে রান্না করে খেলে তা স্বাস্থ্যকর হয়।
পরিমিত গ্রহণ: ডায়াবেটিস বা ওজন কমানোর ডায়েটে থাকলেও আলু পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে আলু খেলে রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।
মূল কথা হলো, আলুর গুণের চেয়ে আমাদের রান্নার ভুল পদ্ধতিই শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই সঠিক পরিমাণে ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে আলু খাদ্যতালিকায় রাখা যেতেই পারে।
মন্তব্য করুন