|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

মেট্রোরেলে চড়েই যাওয়া যাবে কমলাপুর: যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে খুব শীঘ্রই

0 শেয়ার
মেট্রোরেলে চড়েই যাওয়া যাবে কমলাপুর: যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে খুব শীঘ্রই
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের অবকাঠামোগত কাজ প্রায় শেষের দিকে।
  • আগামী বছরের শুরুতেই পরীক্ষামূলক চলাচল এবং এপ্রিল থেকে পুরোদমে যাত্রী পরিবহনের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ।
  • বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।

ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা মো. মহসিন হোসেন প্রতি সপ্তাহে নিজের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যান। বর্তমানে যাতায়াতের জন্য তিনি কাজীপাড়া স্টেশন থেকে মেট্রোরেলে চড়ে মতিঝিল নামেন এবং সেখান থেকে রিকশা নিয়ে কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছান। এই বাড়তি ঝামেলার কারণে তাঁর সময় এবং টাকা দুটোই বেশি খরচ হয়। তবে মহসিনের মতো হাজারো মানুষের এই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে খুব দ্রুতই।

অবৈধ সম্পদ ও তথ্য গোপন: টেকনাফের সাবেক ইউপি সদস্য ও বাবার কারাদণ্ড

মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিত অংশে মেট্রোরেল চালু করার জোর প্রস্তুতি চলছে। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসেই এই রুটে ট্রেনের ট্রায়াল রান বা পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হতে পারে। শুরুতে কোনো যাত্রী ছাড়াই ট্রেন চালানো হবে। এরপর সবকিছু ঠিক থাকলে তিন মাসের মাথায় অর্থাৎ এপ্রিল মাস থেকে সাধারণ মানুষ এই রুটে যাতায়াত করতে পারবেন।

কাজের বর্তমান পরিস্থিতি কেমন?

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, মতিঝিল থেকে কমলাপুর অংশের ভৌত কাজ ইতিমধ্যে ৭৮ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। উড়ালপথ এবং কমলাপুর স্টেশনের মূল কাঠামো তৈরি শেষ। এখন স্টেশনের ভেতরের ফিনিশিং যেমন টাইলস ও গ্রানাইট লাগানোর কাজ চলছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

তবে ট্রেন চলাচলের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজগুলো (যেমন রেললাইন বসানো এবং বিদ্যুৎ সংযোগ) জুলাই মাসের শুরু থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে। এই প্যাকেজের আওতায় লাইনের পাশাপাশি লিফট, এস্কেলেটর, স্বয়ংক্রিয় ভাড়া আদায় ব্যবস্থা এবং সিগন্যালিং সিস্টেমের মতো মোট সাতটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যুক্ত করা হবে। যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য জাপানি একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্ডার দেওয়া হয়েছে, যা জানুয়ারির আগেই চলে আসবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

কেন সময় একটু বেশি লাগছে?

উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে এখন নিয়মিত ট্রেন চলাচল করায় দিনের বেলা নতুন অংশে পরীক্ষা চালানো সম্ভব নয়। তাই কমলাপুর পর্যন্ত ট্রেনের যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে রাত ১২টার পর। এই কারণে পরীক্ষামূলক চলাচলের প্রক্রিয়াটি শেষ করতে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগবে।

খরচ এবং যাত্রী সংখ্যার পূর্বাভাস

২০১২ সালে যখন এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়, তখন প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল প্রায় ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। পরবর্তীতে রুট সম্প্রসারণ ও নকশা পরিবর্তনের কারণে বর্তমান মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের বড় একটি অংশ ঋণ হিসেবে দিচ্ছে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

বর্তমানে মেট্রোরেলে প্রতিদিন গড়ে চার লাখেরও বেশি মানুষ যাতায়াত করছেন। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কমলাপুর পর্যন্ত ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটারের এই বাড়তি অংশটি চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রী সংখ্যা বেড়ে প্রায় পৌনে সাত লাখে পৌঁছাবে।

ভবিষ্যতে এই রুটটি উত্তরা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত আরও সাড়ে সাত কিলোমিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর পাশাপাশি ঢাকাজুড়ে মোট ছয়টি মেট্রোরেল লাইনের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ ধাপে ধাপে এগিয়ে চলছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।