|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস: শান্তিতে বিনিয়োগের নতুন বার্তা

0 শেয়ার
আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস: শান্তিতে বিনিয়োগের নতুন বার্তা
আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস: শান্তিতে বিনিয়োগের নতুন বার্তা
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • প্রতিবছর একুশ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উদ্‌যাপিত হয়।
  • সামরিক খাতে অর্থ ব্যয় না করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
  • বিশ্ববাসীর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে শান্তি প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।

প্রতিবছর ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত হলেও বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংঘাতে বিশ্ব শান্তি আজ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। যুদ্ধ-বিগ্রহ ও অস্ত্র প্রতিযোগিতার পথ ছেড়ে মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বৈষম্য দূরীকরণে সম্পদ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জাতিসংঘ ঘোষিত এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো শান্তিতে বিনিয়োগ করুন: সবার জন্য, সর্বত্র, প্রতিদিন।

নতুন অস্ত্রে অবাক হবে বিশ্ব: যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আইআরজিসির হুঁশিয়ারি

বিশ্লেষকদের মতে, সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই মানুষ যুদ্ধমুক্ত পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে আসছে। কিন্তু একুশ শতকের আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বিশ্ববাসীকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ১৯৮১ সালে দিবসটির যাত্রা শুরু হলেও ২০০২ সাল থেকে সুনির্দিষ্টভাবে ২১ সেপ্টেম্বর দিনটিকে বিশ্ব শান্তি দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। জাতিসংঘ সদরদপ্তরে শান্তির ঘণ্টা বাজানোর মধ্য দিয়ে এই দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়, যা মানুষের কাছে যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণাম স্মরণ করিয়ে দেয়।

শান্তিতে বিনিয়োগের অর্থ হলো সামরিক শক্তিতে বিলিয়ন ডলার খরচ না করে সেই সম্পদ পিছিয়ে পড়া মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যবহার করা। সহিংসতা তৈরি হওয়ার পর তা দমন করার চেয়ে সংঘাতের মূল কারণ দূর করা অনেক বেশি কার্যকর।

ধর্মীয় দর্শন ও স্থায়ী শান্তির রূপরেখা

বিভিন্ন প্রধান ধর্মের মূল দর্শনেও শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলাম ধর্মে একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা পুরো মানবজাতিকে হত্যার সমান বলে গণ্য করা হয়েছে। হিন্দুধর্মে বিশ্বকে একটি একক পরিবার হিসেবে দেখা হয়, আর বৌদ্ধ ধর্মে অহিংসা ও করুণার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ শান্তি অর্জনের কথা বলা হয়েছে। খ্রিষ্টধর্মে হিংসার বদলে অহিংসা বেছে নেওয়ার শিক্ষা দেওয়া হয়। বিভিন্ন ধর্মের এই সার্বজনীন বাণী প্রমাণ করে যে শান্তি মানুষের চিরন্তন ও মৌলিক অধিকার।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

বর্তমান অর্থনৈতিক বৈষম্য ও দ্বন্দ্বের যুগে শান্তির অন্বেষণ কেবল কোনো নৈতিক দায়িত্ব নয়, বরং টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য শর্ত। শান্তি স্থিতিশীল অর্থনীতি গড়ে তোলে, যা সমাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারে। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ভাষায় এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাওয়ার যে প্রত্যয়, তা বাস্তবায়নের জন্য যুদ্ধ নয়, প্রয়োজন পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা।

আরও পড়ুন: আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ন্যাটোর ভূখণ্ডে হামলার শঙ্কা ইউরোপীয় গোয়েন্দাদের

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।