সংক্ষেপে মূল তথ্য
- এআইবিই পাস না করে ওকালতি করা আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে, রায় কর্ণাটক হাইকোর্টের।
বার পরীক্ষা না পাস করে প্রায় এক দশক ধরে ওকালতি, এমন আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে রায় দিয়েছে ভারতের কর্ণাটক হাইকোর্ট। বিচারপতি এইচ. পি. সন্দেশের একক বেঞ্চ শুক্রবার এই রায়ে কর্ণাটক রাজ্য বার কাউন্সিলকে এমন আইনজীবীদের শনাক্ত করতে ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থা গড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
মামলাটি ছিল এম. প্রশান্ত কুমার বনাম কর্ণাটক রাজ্যের, ২০২০ সালের ফৌজদারি পিটিশন নম্বর ৬৩৩। অভিযুক্ত আইনজীবী ২০১১ সালে কর্ণাটক রাজ্য বার কাউন্সিলে সাময়িকভাবে তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন, কিন্তু বাধ্যতামূলক অল ইন্ডিয়া বার এক্সামিনেশন (এআইবিই) না দিয়েই প্রায় এক দশক ধরে মামলা লড়েছেন। তিনি এআইবিই পাস করেন ২০২১ সালে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।
রায়ে আদালত বলেছে, এআইবিই না পাস করে ওকালতি করা আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। একই সঙ্গে বার কাউন্সিলকে ৪৫ দিনের মধ্যে এমন আইনজীবীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য ৩০ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে রাখা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার একই হাইকোর্ট রাহুল গান্ধীকে নিয়ে এক্স পোস্টের জেরে অমিত মালবীয়ের বিরুদ্ধে করা এফআইআর বাতিল করেছিল, পাশাপাশি তুরস্কের "ইস্তাম্বুল কংগ্রেস" দাবি নিয়ে অর্ণব গোস্বামী ও অমিত মালবীয়ের বিরুদ্ধে করা এফআইআরও বাতিল হয়।