|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব

0 শেয়ার
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের সক্ষমতা বাড়াতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
  • বিস্তারিত পড়ুন।

দেশের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিকায়নে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। বন্দরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক টার্মিনাল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ড। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এই প্রক্রিয়াটি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

পদ্মায় পানি বৃদ্ধি: ঈশ্বরদীতে নদীপাড়ের মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক

টার্মিনালের বর্তমান চ্যালেঞ্জ চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৫৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এনসিটি ২০১৭ সাল থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এই টার্মিনাল। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কনটেইনার হ্যান্ডলিং সরঞ্জামের সহজলভ্যতা ৯৩ শতাংশ থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে তা ৭০ শতাংশে নেমে এসেছে। এছাড়া প্রতি ঘণ্টায় কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের আন্তর্জাতিক মান ৩০টি হলেও এনসিটিতে তা এখন ২০ থেকে ২২টি। ফলে জাহাজের গড় অবস্থানকাল বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের খরচও বেড়ে গেছে।

ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির সমন্বয় বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে ৮০টি টার্মিনাল পরিচালনা করা ডিপি ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশে লজিস্টিকস ও অবকাঠামো খাতে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এনসিটিতে অত্যাধুনিক টার্মিনাল পরিচালনা ব্যবস্থা, স্মার্ট সফটওয়্যার এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি যুক্ত হবে। এতে করে বিশ্বের শীর্ষ জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে সরাসরি বড় মাদার ভ্যাসেল পাঠাতে আগ্রহী হবে, যা আমদানি-রপ্তানি খরচ প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ‘ল্যান্ডলর্ড মডেল’ অনুযায়ী বন্দরের মূল মালিকানা রাষ্ট্রের হাতেই থাকবে এবং ডিপি ওয়ার্ল্ড নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পরিচালনার লাইসেন্স পাবে। এছাড়া বন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা এবং সাইবার গেটওয়ে নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও দেশীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে। কাস্টমস এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সিসিটিভি ফিড ও তথ্য পর্যবেক্ষণ করতে পারবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তিটি সফল হলে ভবিষ্যতে বে-টার্মিনাল বা মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের মতো বৃহৎ প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সহজ হবে এবং চট্টগ্রাম বন্দর একটি আঞ্চলিক লজিস্টিকস কেন্দ্রে পরিণত হবে।

Mohammad Sujan
Mohammad Sujanভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।