|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

পদ্মায় পানি বৃদ্ধি: ঈশ্বরদীতে নদীপাড়ের মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক

0 শেয়ার
পদ্মায় পানি বৃদ্ধি: ঈশ্বরদীতে নদীপাড়ের মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক
পদ্মায় পানি বৃদ্ধি: ঈশ্বরদীতে নদীপাড়ের মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার মাত্র ৭৫ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
  • নিম্নাঞ্চলের ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করায় কৃষকদের মধ্যে লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
  • বন্যা ও নদী ভাঙনের ভয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের আতঙ্কিত বাসিন্দারা।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার মাত্র ৭৫ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে নদীপাড়ের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, নদীর পানি বাড়ার ফলে উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকার ফসলের মাঠে পানি প্রবেশ করেছে এবং কোথাও কোথাও বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি চলে আসায় স্থানীয়রা বন্যা ও নদী ভাঙনের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

ডাকসু সংগ্রহশালায় বঙ্গবন্ধুর ছবি সরিয়ে জিন্নাহর ছবি নিয়ে তীব্র বিতর্ক

গত দশ দিন ধরে পদ্মা নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় ঈশ্বরদীর পাকশী, সাঁড়া, সাহাপুর ও লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের পদ্মা তীরবর্তী জনপদে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। আরামবাড়িয়া, কোমরপুর, মাজদিয়া ও ইসলাম পাড়ার বাসিন্দারা জানান যে, রাতের বেলা নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বসতভিটা হারানোর ভয়ে তারা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন এবং অনেকেই নদীর পাড়ে পাহারা বসিয়েছেন।

স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের এই দুশ্চিন্তার বিষয়ে এলাকাবাসী জানান যে, আকস্মিক এই পানি বৃদ্ধির কারণে তাদের গ্রামীণ জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ইউসুফ আলী বলেন, নদীর পানি যেভাবে বাড়ছে তাতে যেকোনো সময় বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে, সেই আশঙ্কায় আমরা চরম উৎকণ্ঠায় আছি। সাহাপুর গ্রামের কৃষক আমিরুল সরদার জানান, ফসলি জমিতে পানি ঢুকে পড়ায় কৃষকদের মাথায় হাত উঠেছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

কৃষি খাতে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান ও প্রশাসনিক সতর্কতা

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পাকশী ও লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নে প্রায় ৫ হেক্টর করে মুলা ও গাজরের জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া আওতাপাড়া এলাকায় পেঁপে ও কলার বাগানসহ প্রায় ৭৫ হেক্টর ফসলি জমিতে নতুন করে পানি উঠতে শুরু করেছে। শীতকালীন সবজি ও আগাম জাতের ফসলগুলোর এই ক্ষতির কারণে স্থানীয় কৃষকরা বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়তে পারেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবদুল মমিন পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান যে, নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে এবং কৃষি বিভাগ সার্বিক পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। বর্তমান এই বন্যা পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যৌথভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নদীতীরবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।