|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

আইফোন ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় কিশোর অপ্রতিমকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

0 শেয়ার
আইফোন ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় কিশোর অপ্রতিমকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
আইফোন ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় কিশোর অপ্রতিমকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • আইফোন ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ১৩ বছরের কিশোর অপ্রতিমকে নির্জন পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে হত্যা করা হয়।
  • পুলিশ এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তুহিনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
  • তোশকের নিচ থেকে নিহতের ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে।

আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দেওয়ায় কুমিল্লার কোটবাড়িতে ১৩ বছরের কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং নিহতের ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে।

সরকারি চাকরি পাওয়ার পর প্রবাসীকে তালাক, আদালতে মামলা

গত শুক্রবার বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে ঘর থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন অপ্রতিম। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিলেন। পরদিন শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবার কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পর পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তা ও স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, একটানা জিজ্ঞাসাবাদে প্রধান অভিযুক্ত ১৯ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম তুহিন হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। তুহিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ফাহাদ ও কামরুল নামের আরও দুই সহযোগীকে আটক করা হয়। পরে তুহিনের বাসার তোশকের নিচ থেকে লুটের আইফোনটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সানন্দ নামক পাহাড়ঘেরা নির্জন বনে নিয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে অপ্রতিম বাধা দেয়, যার জেরে তাকে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও দ্রুত বিচার প্রত্যাশা

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা করেছিল তুহিন। ঘটনার দিন বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। অপরাধীরা প্রথমে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে পুরো ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়।

“হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুতই পুলিশ প্রতিবেদন বা চার্জশিট বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হবে। রামিসা হত্যার মামলায় যেমন দ্রুত রায় এসেছে, এই মামলাটির জন্যও দ্রুত আমরা বিজ্ঞ আদালতের কাছে আবেদন রাখবো।” - মো. আনিসুজ্জামান, পুলিশ সুপার, কুমিল্লা।

বর্তমানে আটক আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একমাত্র সন্তানের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং শোকার্ত পরিবার ও স্থানীয়রা দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।