
ঢাকা: সরকারি চাকরিতে সর্বনিম্ন বেতন ৩৩ হাজার টাকা নির্ধারণের একটি প্রস্তাব নিয়ে বর্তমানে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা চলছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই নতুন বেতন কাঠামোর রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
দীর্ঘদিন ধরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে নির্ধারিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন চাকরিজীবীরা। এর আগে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সূচক পর্যালোচনা করে একটি টেকসই বেতন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন এই প্রস্তাবটি সামনে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের মতে, সরকারি কর্মচারীদের কাজের গতিশীলতা বাড়াতে এবং মেধা ধরে রাখতে বেতন বৃদ্ধি অপরিহার্য। একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবিত কাঠামোটি চূড়ান্ত হলে তা সরকারের উচ্চপর্যায়ে অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে।
"জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সাথে সংগতি রেখে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত বেতন কাঠামো প্রণয়নের কাজ চলছে। বিষয়টি নিয়ে নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।" - সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য বাড়াতে গভর্নর ও হাইকমিশনারের বৈঠক
প্রস্তাবিত এই কাঠামো অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন ৩৩ হাজার টাকা হলে গ্রেড অনুযায়ী সর্বোচ্চ বেতন কত হতে পারে, তা নিয়ে চলছে হিসাব-নিকাশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, বেতন বৈষম্য কমিয়ে আনতে গ্রেড ব্যবধান কমানো এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা জরুরি।
বর্তমানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বেতন কমিশন সংক্রান্ত নীতিনির্ধারকরা প্রস্তাবটির বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ করছেন। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক রূপরেখা প্রকাশ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন
ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।