|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের ব্যয় বাড়লো ৮৪৭ কোটি টাকা

0 শেয়ার
শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের ব্যয় বাড়লো ৮৪৭ কোটি টাকা
শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের ব্যয় বাড়লো ৮৪৭ কোটি টাকা
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের ব্যয় ৮৪৭ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে।
  • একনেক সভায় তৃতীয় সংশোধনী অনুমোদনের মাধ্যমে প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২১৩ কোটি টাকা।
  • প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের ব্যয় ৮৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ২২ হাজার ২১৩ কোটি ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করার অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন করা হয় এবং প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা চেয়েছে সংবিধান সংশোধন কমিটি

২০১৬ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই মেগা প্রকল্পের মূল মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের জুনে। তবে নানা কারণে এর আগে একাধিকবার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র অনুযায়ী, প্রকল্পটির মূল প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকার বেশি। পরবর্তীতে দ্বিতীয় সংশোধনীতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৩৬৫ কোটি ৫২ লাখ টাকায়। সর্বশেষ তৃতীয় সংশোধনীতে ব্যয় আরও বৃদ্ধি পেয়ে ২২ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল।

একনেক সভায় অনুমোদিত তৃতীয় সংশোধনী অনুযায়ী, এই প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৫ হাজার ১১৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক প্রকল্প ঋণ হিসেবে থাকছে ১৭ হাজার ৯৭ কোটি ১২ লাখ টাকা।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

প্রকল্পের পটভূমি ও বর্তমান পরিস্থিতি

বিমানবন্দরের যাত্রী সাধারণকে আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদান এবং দেশের বিমান চলাচল খাতের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে এই সম্প্রসারণ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল। বিশ্বমানের থার্ড টার্মিনাল চালুর পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী হ্যান্ডলিং ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। তবে দফায় দফায় সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির ফলে প্রকল্পটির অর্থনৈতিক কার্যকারিতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানাবিধ আলোচনা তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, নির্ধারিত নতুন সময়সীমা অর্থাৎ ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের বাকী থাকা সমস্ত কাজ পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ হবে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক এভিয়েশন hubs গুলোর সাথে তাল মিলিয়ে ঢাকা বিমানবন্দর আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা প্রদানে সক্ষম হয়ে উঠবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।