|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

কৃত্রিম আঙুলের ছাপ দিয়ে এমএফএস ও সিম জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ৯

0 শেয়ার
কৃত্রিম আঙুলের ছাপ দিয়ে এমএফএস ও সিম জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ৯
কৃত্রিম আঙুলের ছাপ দিয়ে এমএফএস ও সিম জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ৯
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বাগেরহাট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে সিম জালিয়াতি চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন।
  • চক্রটি কৃত্রিম আঙুলের ছাপ তৈরি করে সিম পরিবর্তন করে এমএফএস অ্যাকাউন্টের টাকা সরিয়ে নিত।
  • আসামিদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রাহকের আঙুলের ছাপ জালিয়াতি করে কৃত্রিম ছাপ তৈরি এবং এর মাধ্যমে সিম কার্ড পরিবর্তন করে বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস অ্যাকাউন্টের টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বাগেরহাট জেলা পুলিশ ও পিবিআই। মঙ্গলবার বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান। গত মঙ্গলবার বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ১১টি মুঠোফোন, প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

প্রিজন ভ্যান থেকে পালানো পিচ্চি রাজা দুই দিনেও ধরা পড়েনি

বাগেরহাট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১ জুলাই মোংলা থানায় দায়ের করা সাইবার সুরক্ষা আইনের একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এই চক্রের সন্ধান পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে বায়োমেট্রিক ডিভাইস বা মুঠোফোনের স্ক্রিনের মাধ্যমে গ্রাহকের আঙুলের ছাপের ডিজিটাল প্যাটার্ন সংগ্রহ করতেন। পরে সেই প্যাটার্ন কৃত্রিম উপায়ে পুনরুৎপাদন করে সিম রিপ্লেসমেন্ট বা সিম পরিবর্তন করতেন। সিম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর এমএফএস অ্যাকাউন্টের পিন রিসেট করে সমস্ত অর্থ অন্য নম্বরে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করতেন তাঁরা।

গ্রাহকের শারীরিক উপস্থিতি ছাড়াই কৃত্রিমভাবে তৈরি বায়োমেট্রিক পরিচয় ব্যবহার করে অজান্তেই সিম রিপ্লেস করা হতো। ফলে গ্রাহক কোনো ওটিপি বা সংকেত পেতেন না এবং বিষয়টি সহজে ধরতে পারতেন না। - সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম

জালিয়াতির অভিনব কৌশল ও মামলার বিস্তারিত

পুলিশের ভাষ্যমতে, গত ২৭ জুলাই ভোরে তিনটি ভিন্ন সিমের মোট ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে সরিয়ে নেয় এই চক্র। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলার সূত্র ধরে প্রথমে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও সাতজনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ৯ জন হলেন ইয়াছিন সওদাগর, শামীম মেখ, রাশেদ মোড়ল, এহসানুল হাসান ওরফে রাকিব, ফেরদাউস, মো. মামুন গাজী, আশরাফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান এবং মো. নাজমুল হাসান। আসামিদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে এর আগেও একই ধরনের জালিয়াতির অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং চক্রের বাকি সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে এবং লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণ নাগরিকদের তাদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের গোপনীয়তা রক্ষায় আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের সন্দেহজনক কার্যক্রম নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় থানাকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।