|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

তেরো বছরের অপ্রতিমের মৃত্যু: রাষ্ট্রের কাছে কি কোনো কবিতা নেই

0 শেয়ার
তেরো বছরের অপ্রতিমের মৃত্যু: রাষ্ট্রের কাছে কি কোনো কবিতা নেই
তেরো বছরের অপ্রতিমের মৃত্যু: রাষ্ট্রের কাছে কি কোনো কবিতা নেই
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • তেরো বছরের শিশু অপ্রতিমের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
  • নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
  • মায়ের কান্না ও নিরাপদ রাষ্ট্রের দাবি জোরালো হচ্ছে।

তেরো বছর বয়সী শিশু অপ্রতিমের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতা নিয়ে। একটি শিশুর পৃথিবী হওয়ার কথা ছিল স্কুলের মাঠ, বন্ধুর মুখ কিংবা মায়ের রান্নাঘর, অথচ এই রাষ্ট্র তার ভবিষ্যৎসহ তাকে কেড়ে নিয়েছে। বর্তমানে সভ্য সমাজের মতো বসে তার মৃত্যুর কারণ খোঁজা হচ্ছে, যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

আখাউড়া সীমান্তে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

ঘটনার পটভূমি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একটি শিশু যখন নিখোঁজ হয়, তখন তাকে দ্রুত খুঁজে বের করার জন্য রাষ্ট্রের প্রশাসনিক যন্ত্র যেভাবে সজাগ হওয়ার কথা, অনেক ক্ষেত্রেই তা দেখা যায় না। মন্ত্রীরা নানা বিষয়ে ব্যস্ত থাকলেও শিশুদের নিরাপত্তা বা সুরক্ষার প্রশ্নে কার্যকর কোনো সরকারি নোটিশ বা দৃশ্যমান উদ্যোগের অভাব রয়েছে। তদন্ত ও আইন নিজস্ব গতিতে চলার কথা বলা হলেও পরিবারের কাছে আইন মানে সন্তানের ঘরে ফিরে আসার পায়ের শব্দ, যা এখন স্তব্ধ।

অপ্রতিমের জন্য কোনো স্মৃতিসৌধ চাই না, কোনো ফুলের মালা চাই না, কোনো মন্ত্রী এসে আমাদের কাঁধে হাত রাখুক সেটা চাই না। আমরা চাই সেই প্রশ্নটি বেঁচে থাকুক, একটি শিশু নিখোঁজ হলে রাষ্ট্রের সমস্ত যন্ত্র কেন একই মুহূর্তে জেগে ওঠে না?

সামাজিক নীরবতা ও রাজনৈতিক সুবিধাবাদ

এই ধরণের ঘটনার পর কেবল কিছু সময়ের জন্য শিরোনাম হয়ে সংবাদমাধ্যম সচল থাকে, এবং পরদিন সবাই নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুনরায় নিশ্চিন্ত হয়ে যান। অপ্রতিম কোনো নির্দিষ্ট দল বা পতাকার ছিল না, সে ছিল কেবল একজন মানুষ। কিন্তু তার এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা কিংবা দায়সারা বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। মায়ের কান্নাকে পাশ কাটিয়ে কোনো রাষ্ট্রই নিজেকে নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করতে পারে না।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

আরও পড়ুন: চালক নামিয়ে দেওয়ায় নিহত তরুণী, উবারকে ৪ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

আজ রাতে অপ্রতিমের স্কুলব্যাগটি নীরব হয়ে ঘরের এক কোণে পড়ে আছে, তার বইয়ের পাতাগুলো বন্ধ এবং কলমটি থেমে আছে এক অসমাপ্ত বাক্যের মাঝে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের মূল প্রশ্নটি হলো, আমরা কি এমন একটি সমাজ বা দেশ তৈরি করেছি যেখানে তেরো বছরের শিশুরাও পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ছাড়া ঘর থেকে বের হতে বাধ্য হয়? রাষ্ট্র ও সমাজকে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।