|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

টাঙ্গাইলে সেতু নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগ

0 শেয়ার
টাঙ্গাইলে সেতু নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগ
টাঙ্গাইলে সেতু নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগ
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • টাঙ্গাইলের বাসাইলে সেতু নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
  • ঠিকাদার ও তদারকি প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
  • উপজেলা প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে এক দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে।

টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি সেতুতে রাতের আঁধারে ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার রাতে উপজেলার বাসাইল জিসি-কাউলজানী ইউপি অফিস ভায়া মাইজখাড়া জিপিএস সড়কে এই ঘটনা ঘটে এবং পরবর্তীতে এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিশ্ববাজারে অস্থিরতা: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৯০ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ পিএসসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণের কাজ পায় মেসার্স ইউনুছ আল মামুন-মেসার্স জাকির এন্টারপাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। পরবর্তীতে কাজের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয় এবং বর্তমানে এর প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রোববার রাতে স্থানীয়রা ফুটপাতে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের দৃশ্য দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানান এবং ভিডিও ধারণ করেন।

"সেতুর ফুটপাত নির্মাণে বাঁশ দিয়ে সাটারিং করা হয়েছিল এবং পলিথিন দিয়ে রড বসিয়ে ঢালাই করা হয়। কিন্তু ঢালাই তুলে রড সরিয়ে বাঁশের ভিডিও করে তা অপপ্রচার করা হচ্ছে। তবে আমরা কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেব এবং নতুন করে স্ল্যাবের কাজ করে দেব।" - এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, স্থানীয় ঠিকাদার

বিজ্ঞাপন
Advertisement

প্রশাসনিক পদক্ষেপ ও তদন্ত কমিটি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের। তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রশাসন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) আহাদি হোসেনকে। আগামী এক দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকবাল হোসেন। পাশাপাশি, কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান জানিয়েছেন, সেতুর যেসব স্থানে নিম্নমানের কাজ করার সত্যতা পাওয়া গেছে, সেসব অংশ ভেঙে ফেলা হচ্ছে এবং খুব দ্রুত নিয়ম অনুযায়ী পুনরায় কাজ সম্পন্ন করা হবে। অনিয়ম ও গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।