|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ

ডিসেম্বরেই দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার: দিল্লিতে বিস্ফোরক প্রেস কনফারেন্স

0 শেয়ার
শেখ হাসিনা ভারতে সংবাদ সম্মেলন
শেখ হাসিনা ভারতে সংবাদ সম্মেলন
সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • দিল্লিতে আয়োজিত বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা।
  • গ্রেপ্তার আতঙ্ক, ট্রাম্প প্রশাসন ও ক্ষমা চাওয়া ইস্যুতে কড়া বক্তব্য সজীব ওয়াজেদ জয়ের।

নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে অবশেষে দেশে ফেরার স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জানান, দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ফিরিয়ে আনতে আগামী বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই তিনি বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করবেন।

বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের পররাষ্ট্রনীতি ও ভূরাজনীতির নতুন সমীকরণ

সংবাদ সম্মেলনে তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের নানা তীক্ষ্ণ প্রশ্নের জবাবে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তাঁর নিরাপত্তা, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এবং বিগত আন্দোলনের সহিংসতা নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেন তাঁরা।

গ্রেপ্তার ও প্রাণনাশের ঝুঁকি সত্ত্বেও ফেরার সিদ্ধান্ত: সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি প্রশ্ন করা হয় দেশে ফিরলে বর্তমান প্রশাসন তাঁকে গ্রেপ্তার করার কথা বলেছে, এই অবস্থায় তাঁর পরিকল্পনা কী? জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, "১৯৮১ সালে যখন দেশে ফিরি, তখনও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাকে আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন। ১৯৮৩, ১৯৮৫, ১৯৮৭ এবং ২০০৭ সালেও আমাকে রোখার চেষ্টা হয় ও গ্রেপ্তার করা হয়। আমি জানি এবারও আমাকে জেলে পাঠানো হতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলা হতে পারে। তবে বাংলাদেশের মানুষের সাংবিধানিক অধিকার ও বিচার পাওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দিতে আমি ফিরবই। ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস, আর এই ডিসেম্বরেই আমি দেশে পা রাখতে চাই।"

বিজ্ঞাপন
Advertisement

সহিংসতার দায় ও ক্ষমা প্রার্থনা ইস্যুতে জয়ের প্রতিক্রিয়া: জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিহত আন্দোলনকারীদের পরিবার ও সহিংসতার ঘটনায় আওয়ামী লীগ দুঃখপ্রকাশ বা ক্ষমা চাইবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, "বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ এই সরকার পুলিশ সদস্য, সাধারণ নাগরিক এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হওয়া হত্যাকাণ্ডগুলোকে আইনি দায়মুক্তি (Indemnity) দিয়ে রেখেছে। একতরফা হত্যাকাণ্ডকে যখন বৈধতা দেওয়া হচ্ছে, তখন কার কাছে ক্ষমা চাইব? যেদিন সকল হত্যাকাণ্ডের সমতাভিত্তিক বিচার হবে এবং পুলিশ ও নেতাকর্মী হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা হবে, সেদিনই কেবল দুঃখপ্রকাশের আলোচনা হতে পারে।"

ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান ও ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকা: শেখ হাসিনাকে বর্তমানে ভারতে রাষ্ট্রপ্রধানের (Head of State) সমমর্যাদা, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা এবং সুযোগ-সুবিধা দিয়ে রাখা হয়েছে জানিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, "ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য বাণিজ্য বৃদ্ধি করা, মানবধিকার বা রাজনৈতিক ইস্যু নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি পরিবর্তনশীল, আজ যাদের সমর্থন দেখা যাচ্ছে কাল পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।"

সংবাদ সম্মেলনের শেষভাগে শেখ হাসিনা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, দেশে এখন চরম রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও নিপীড়ন চলছে। দেশের স্বাধীনতা ও ঐতিহ্য রক্ষায় তিনি সব ধরনের ঝুঁকি নিয়ে জনগণের মাঝে ফিরে আসতে বদ্ধপরিকর।

Dhaka Story
Dhaka Storyভেরিফাইড

ঢাকা স্টোরি সততা ও সত্যতা যাচাই নীতিমালার অধীনে খবর প্রকাশ করে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজ্ঞাপন

Advertisement
Advertisement
বিজ্ঞাপন
Advertisement
Dhaka Story
ঢাকা স্টোরি
তাত্ক্ষণিক নিউজ আপডেট

ব্রেকিং নিউজ ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অন করুন।